Hidden Stories (বাংলা)

তারেক ক্যাবিনেটের প্রথম বৈঠক আজ, আজই জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণ নয়া প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা: এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনায় আজ - বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রথম বৈঠকে বসছে বাংলাদেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নবগঠিত মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার শপথ গ্রহণের পর রাতেই ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দফতর বণ্টন করা হয়। আজকের এই বৈঠক এবং সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণকে কেন্দ্র করে সারা বাংলাদেশে এখন টানটান উত্তেজনা ও কৌতূহল।বুধবার সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমেই দিনের কর্মসূচি শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এরপর সচিবালয়ে নিজের দফতরে কাজে যোগ দেন তারেক রহমান। মন্ত্রিসভার এই প্রথম বৈঠকটি মূলত একটি ‘স্ট্র্যাটেজিক সেশন’ হতে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বৈঠক শেষে বিভিন্ন মন্ত্রকের সচিবদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার কথা রয়েছে। এটি মূলত আমলাতন্ত্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় সাধনের প্রথম ধাপ।গত প্রায় দেড়-দু'বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং থমকে যাওয়া অর্থনীতিকে সচল করাই হবে এই মন্ত্রিসভার প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ। তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ বা টেকনোক্র্যাটদের স্থান দেওয়া হয়েছে, যা একটি পেশাদার সরকার গঠনের ইঙ্গিত দেয়। যেমন - পররাষ্ট্র মন্ত্রক: অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মহম্মদ ইউনূসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাকা খলিলুর রহমানকে বিদেশ মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ধারাবাহিকতা রক্ষার একটি সঙ্কেত বলে মনে করা হচ্ছে।স্বরাষ্ট্র ও অর্থ: দীর্ঘ নির্বাসন ও আইনি লড়াইয়ের পর দেশে ফেরা সালাউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গুরুদায়িত্ব। অভিজ্ঞ নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সামলাবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রক।স্থানীয় সরকার: দলের প্রভাবশালী নেতা ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নের দায়িত্ব।প্রধানমন্ত্রীর হাতে: জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলি নিজের হাতেই রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।[TECHTARANGA-POST:6570]সূত্রের খবর, এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় (ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা) প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণ দেবেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই ভাষণে মূলত তিনটি বিষয় উঠে আসতে পারে। যথা - ১. রাষ্ট্রীয় সংস্কার: 'গত সরকারের সময় নষ্ট হওয়া' গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির পুনরুদ্ধার।২. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর পরিকল্পনা।৩. পররাষ্ট্র নীতি: প্রতিবেশী দেশ ভারতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সমীকরণ তৈরি।তারেক রহমানের এই ভাষণ বাংলাদেশের আগামীর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিশা ঠিক করে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এখন তাকিয়ে আছে তাঁর ঘোষিত ‘নতুন রূপরেখা’র দিকে।

তারেক ক্যাবিনেটের প্রথম বৈঠক আজ, আজই জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণ নয়া প্রধানমন্ত্রীর

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার