যাদবপুরকাণ্ডে ফের উত্তেজনা! SFI-এর মিছিল আটকাল পুলিশ, রাতের ঘটনায় দায়ের এফআইআর
কলকাতাঃ বুধবার রাতের সংঘর্ষের রেশ কাটেনি। বৃহস্পতিবার সকালেও উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। এসএফআই-সহ একাধিক বাম ছাত্র সংগঠন এবং এবিভিপি-র সংঘর্ষের পর এদিন দু’পক্ষই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়। অশান্তির আশঙ্কায় এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যেই সংঘর্ষের ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:11800]দক্ষিণ কলকাতার বিধায়ক সর্বাণী মুখোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে দায়ের হওয়া ওই এফআইআরে আইপিসি এবং এসসি-এসটি আইনের একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে পাল্টা বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয় দুই পক্ষ। ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্টস ফেডারেশন বা ডিএসএফ-এর সদস্যরা যাদবপুর ৮বি থেকে মিছিল শুরু করেন। অন্যদিকে, এবিভিপি-র মিছিল যাদবপুর থানা থেকে শুরু হওয়ার কথা। পরিস্থিতি যাতে ফের অশান্ত না হয়, তার জন্য আগেভাগেই কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। এসএফআই-সহ বাম ছাত্র সংগঠনগুলির মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যাওয়ার মূল রাস্তায় ওঠার আগেই পুলিশ আটকে দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এবিভিপি-র মিছিল শুরু হয়নি। [TECHTARANGA-POST:11799]এসএফআই-এর রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে এবিভিপি এবং বিজেপির বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে হামলার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, বিজেপির বিধায়কের উস্কানিতে বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের উপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, এবিভিপি পাল্টা অভিযোগ করেছে, সাধারণ সভার নামে পরিকল্পিতভাবে তাদের উপর হামলা চালিয়েছে এসএফআই, ডিএসও এবং ডিএসএফ। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্র সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ফ্যাকাল্টি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করেই প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষের আকার নেয়। দুই পক্ষেরই একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন বলে খবর। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পাসে বচসা এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।