Hidden Stories (বাংলা)

বিপদসীমা ছুঁইছুঁই গঙ্গা, ডুবে গেল একের পর এক ঘাট! বারাণসীতে বন্ধ নৌকা, মণিকর্ণিকায় ছাদে হচ্ছে শেষকৃত্য?

বারাণসী: লাগাতার ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা জলের তোড়ে ভয়াল রূপ ধারণ করেছে বারাণসীর গঙ্গা। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২ সেন্টিমিটার বা ২০ মিলিমিটার গতিতে জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতিমধ্যেই বারাণসীর প্রায় সমস্ত ঐতিহাসিক ঘাটের নিচের অংশ পুরোপুরি জলের তলায় চলে গিয়েছে। এক ঘাট থেকে অন্য ঘাটে যাতায়াতের সংযোগকারী সিঁড়ি ও হাঁটার রাস্তা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এবং প্রবল স্রোতের কারণে তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষার্থে গঙ্গায় সমস্ত ধরনের ছোট-বড় নৌকা চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। কেন্দ্রীয় জল কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গঙ্গার জলস্তর পৌঁছেছে ৬৮.৭৪ মিটারে, যা বিপদসীমা ৭১.২৬ মিটার থেকে মাত্র আড়াই মিটার নিচে রয়েছে।গঙ্গার জল হু হু করে বাড়ায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে মণিকর্ণিকা ও হরিশ্চন্দ্র ঘাটে। মৃতদেহ সৎকারের চাতালগুলি জলের তলায় তলিয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে উঁচু সিঁড়ি, নিরাপদ চাতাল এবং সংলগ্ন ছাদের ওপর শেষকৃত্যের স্থান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিখ্যাত দশাশ্বমেধ ঘাটের সান্ধ্য গঙ্গা আরতির স্বাভাবিক পরিকাঠামো ব্যাহত হওয়ায় তা উঁচু ও নিরাপদ জায়গায় সীমিত পরিসরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘাটের বিপজ্জনক অংশে ব্যারিকেড দিয়ে পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের সেলফি তোলা এবং নদীতে নামার ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে বরুণা নদীর জল বাড়ায় নিচু এলাকাগুলিতে বন্যার সতর্কতা জারি করে ত্রাণশিবির প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং পুলিশ কমিশনার সহ শীর্ষ আধিকারিকরা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে নিয়মিত জলপথে নজরদারি চালাচ্ছেন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিপদসীমা ছুঁইছুঁই গঙ্গা, ডুবে গেল একের পর এক ঘাট! বারাণসীতে বন্ধ নৌকা, মণিকর্ণিকায় ছাদে হচ্ছে শেষকৃত্য?