Hidden Stories (বাংলা)

অনুমতি না পেয়েও পথে তৃণমূল, পদ্মপুকুরে আটক মমতা-সহ একাধিক নেতা

নিট কাণ্ড ঘিরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। দিল্লির যন্তরমন্তরে নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টি। তার প্রভাব পড়েছে বাংলাতেও। ককরোচ পার্টির সমর্থনে কলকাতায় মিছিলের পরিকল্পনা করেছিল কালীঘাট তৃণমূল। তবে মেলেনি পুলিশের অনুমতি। এরপর দলের তরফে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেও সেখান থেকেও অনুমতি মেলেনি। এরপরও শনিবার নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী পদ্মপুকুরে জমায়েত শুরু করেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।[TECHTARANGA-POST:11257]অভিযোগ, পুলিশের পক্ষ থেকে  জমায়েত না করার অনুরোধ জানানো হলেও তা মানা হয়নি। বিকেলের দিকে পদ্মপুকুরে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরেই শুরু হয় স্লোগান ও বিক্ষোভ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ পদ্মপুকুর এলাকা থেকে কুণাল ঘোষ, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা-কর্মীকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে লালবাজারে নিয়ে যায়। পুলিশি পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “প্রতিবাদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে বিজেপি সরকার। নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আমরা ছাত্রদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। ছাত্র আন্দোলনের চাপে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এবার আমাদের আন্দোলনও আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে।”[TECHTARANGA-POST:11255]তবে, থেমে থাকেননি তৃণমূল নেত্রী। স্কুটিতে চেপে লালবাজারের পথে এগোতে থাকেন। তাঁর সঙ্গে বাইক ও স্কুটিতে রওনা দেন তৃণমূল কর্মীরাও। পরে মিছিলের রুট বদলে কালীঘাটের দিকে ফিরে যান। অন্যদিকে, আটক হওয়া নেতা-কর্মীদের লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে পৌঁছে যান তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন এবং দোলা সেন। লালবাজারের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা ঘিরেও পুলিশ ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রসঙ্গত, এদিন কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের পরিকল্পনা ছিল কালীঘাট তৃণমূলের। তবে হাই কোর্ট অনুমতি না দিয়ে জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন কর্মসূচির অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয়। এর আগের দিন কলকাতায় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনাও আদালতে উল্লেখ করা হয়। 

অনুমতি না পেয়েও পথে তৃণমূল, পদ্মপুকুরে আটক মমতা-সহ একাধিক নেতা