Hidden Stories (বাংলা)

হালিশহর থানার লকআপে কী ঘটেছিল? বিরজুর মৃত্যুর ঘটনায় এবার তদন্তে নামছে সিআইডি

হালিশহরঃ তৃণমূল কর্মী বিরজু কুমারের মৃত্যুর ঘটনায় এবার তদন্তভার গেল সিআইডির হাতে। পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর মৃত্যু ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছিল। এবার ঘটনার নেপথ্যে ঠিক কী হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।[TECHTARANGA-POST:11749]গত ৬ আগস্ট বিরজুকে গ্রেফতার করেছিল হালিশহর থানার পুলিশ। দু’দিন পর থানার লকআপ থেকে অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের অভিযোগ ছিল, পুলিশি অত্যাচারের কারণেই বিরজুর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও ডিম ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্লোগানও দেওয়া হয়। এরপরেই হালিশহরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাঁদের কাছ থেকে অভিযোগ শোনেন তিনি। এরপরই ঘটনায় হালিশহর থানার আইসিকে ক্লোজ এবং তদন্তকারী আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।[TECHTARANGA-POST:11748]শুধু তাই নয়, ঘটনার প্রশাসনিক তদন্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এসডিও স্তরে তদন্তের পাশাপাশি জেলাশাসককেও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। এবার সেই তদন্তের পরিধি আরও বাড়িয়ে সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়া হল। ফলে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় বিরজুর সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, তাঁর মৃত্যুর পিছনে কোনও গাফিলতি বা অন্য কোনও কারণ ছিল কি না, লকআপে তাঁর শেষ সময়ের পরিস্থিতি কেমন ছিল সমস্ত বিষয়ই খতিয়ে দেখবেন সিআইডি আধিকারিকরা। 

হালিশহর থানার লকআপে কী ঘটেছিল? বিরজুর মৃত্যুর ঘটনায় এবার তদন্তে নামছে সিআইডি