দ্বিতীয় দফার ভোটে ‘বাইক-বাহিনী’র কড়া নজরদারি: রণকৌশল সাজাতে পুলিশ কর্তাদের ক্লাস নিল কমিশন
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট মিটতেই এবার দ্বিতীয় দফার ১৪২টি কেন্দ্রকে পাখির চোখ করল নির্বাচন কমিশন। রবিবার কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের ‘কো-অর্ডিনেশন’ বৈঠক সারলেন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। [TECHTARANGA-POST:8422]এদিনের বৈঠকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, অশান্তি রুখতে এবার শুধু মূল রাস্তায় নয়, বাহিনীর নজরদারি পৌঁছবে অলিগলিতেও। বিশেষ কৌশল হিসেবে নামানো হচ্ছে ‘বাইক-বাহিনী’। মোট ১৬০টি মোটরবাইকে দুজন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর (CAPF) জওয়ান পাড়ায় পাড়ায় টহল দেবেন। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা জটলা দেখলেই তড়িঘড়ি অ্যাকশন নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত ভোটারদের মনে ভয় দূর করে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করাই কমিশনের আসল লক্ষ্য।[TECHTARANGA-POST:8418]এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার এবং উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা। স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত ও স্পেশাল পুলিশ অবজারভার এন কে মিশ্রর উপস্থিতিতে বাহিনীর মোতায়েন এবং কুইক রেসপন্স টিমের অবস্থান নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা হয়। স্পর্শকাতর বুথগুলিতে সিসিটিভির নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি বুথে যাতায়াতের পথেও বাড়তি নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। [TECHTARANGA-POST:8417]অন্যদিকে, জেলায় জেলায় প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে খোদ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে পৌঁছে যান। সেখানে উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজ নেন তিনি। দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ যাতে সম্পূর্ণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, তার জন্য কোনো খামতি রাখতে নারাজ কমিশন।