Hidden Stories (বাংলা)

তারাতলায় ভেঙে পড়া গুদামে মৃত ৩, এখনও ১২–১৮ জন আটকে থাকার আশঙ্কা

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ভেঙে ভয়াবহ বিপর্যয়ের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই মোট ২১ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে এখনও ১২ থেকে ১৮ জন শ্রমিক ভিতরে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। [TECHTARANGA-POST:10244]উদ্ধারকাজ চলাকালীনই বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পৌঁছে তিনি প্রথমেই উপস্থিত মন্ত্রী, পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উদ্ধারকারীদের কাছ থেকে পরিস্থিতির বিস্তারিত খোঁজ নেন। এরপর তিনি নিজে পুরো এলাকা পরিদর্শন করেন এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। যদিও সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি, তবে তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং আটকে থাকা শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশ দেন।[TECHTARANGA-POST:10242]তারাতলার ধসকাণ্ডে উদ্ধার ১৪, চলছে জোরকদমে উদ্ধার অভিযানঘটনাটি ঘটে বন্দরের জমিতে তৈরি হওয়া একটি চায়ের গুদামে। বুধবার তিনতলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলাকালীন হঠাৎই নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। নিচে চাপা পড়ে যান একাধিক শ্রমিক। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল, পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনা। উদ্ধারকাজে আনা হয় গ্যাসকাটার, ক্রেন ও অ্যাম্বুল্যান্স। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার পর থেকেই নবান্নে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। চালু করা হয়েছে একাধিক হেল্পলাইন নম্বর - 1070, 8697981070, 033 22143526 এবং 033 22535185 - যাতে সাধারণ মানুষ ও পরিবারের সদস্যরা তথ্য পেতে পারেন।[TECHTARANGA-POST:10224]দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে বেআইনিভাবে গুদামটি তৈরি করা হচ্ছিল এবং নির্মাণকাজে অনভিজ্ঞ লোকজনকে যুক্ত করা হয়েছিল। কাটমানি নিয়ে কাজ করানোর অভিযোগও উঠেছে। তাঁদের দাবি, বিষয়টি আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

তারাতলায় ভেঙে পড়া গুদামে মৃত ৩, এখনও ১২–১৮ জন আটকে থাকার আশঙ্কা