Hidden Stories (বাংলা)

Jalpaiguri sweet market: পুজো মিটতেই প্রশাসনিক হানা, বিজয়ার মিষ্টান্নে উধাও রঙিন মিষ্টি!

জলপাইগুড়ি:  উৎসবের মরশুম শেষ হলেও প্রশাসনিক নজরদারিতে এতটুকু ঢিলেমি নেই। বিজয়ার মিষ্টিমুখে রাসায়নিক রঙের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার রুখতে খাদ্য নিরাপত্তা (ফুড সেফটি) দফতর ও জেলা প্রশাসনের লাগাতার অভিযানের জেরে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সাক্ষী থাকছে জলপাইগুড়ির মিষ্টির বাজার। রঙিন মিষ্টির ভিড় সরিয়ে বিজয়ায় জায়গা করে নিয়েছে সাচে কাচা আর ঐতিহ্যে ঘেরা সাদা ও হালকা রঙের দেশি মিষ্টি। মিষ্টি ব্যবসায়ীদের ওপর কড়া নজরদারি এবং দোকানে দোকানে হানা দেওয়ার ফলেই দোকানদাররা এবার মারাত্মক কেমিক্যালযুক্ত কৃত্রিম রং ব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ বিরত থেকেছেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।বিজয়ায় জলপাইগুড়ির অলিগলিতে মিষ্টির দোকানে উপচে পড়া ভিড়। শহরের ঐতিহ্যবাহী এলএমবি মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে শুরু করে নেতাজিপাড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন দোকানগুলিতে পছন্দের রসগোল্লা, সন্দেশ, মিহিদানা, সীতাভোগ ও ছানার পোলাও কেনার হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। বিজয়ার কোলাকুলি ও আত্মীয়দের বাড়ি বিজয়া সারতে যাওয়ার চিরাচরিত ঐতিহ্য বজায় রেখে সকাল থেকেই মিষ্টি কেনায় ব্যাস্ত সাধারণ মানুষ। একইসঙ্গে নেপালি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘টিকা’ উৎসবকে কেন্দ্র করেও সাধারণ মানুষের মধ্যে মিষ্টি কেনার বিপুল উন্মাদনা চোখে পড়ে।শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই নন, এই জেলা শহরের বিখ্যাত মিষ্টির স্বাদ নিতে দূরদূরান্ত থেকেও মানুষ ভিড় জমিয়েছেন দোকানে। সুদূর বীরপাড়া থেকে পরিবার নিয়ে মিষ্টি কিনতে হাজির হয়েছেন অনেকে। এমনকি অসম থেকে বেনারস যাওয়ার পথে কালচিনি বা ডুয়ার্স হয়ে ট্রানজিটে থাকা পর্যটকরাও গাড়িতে যেতে যেতে জলপাইগুড়ির দোকানে থামছেন স্বাদের টানে। মিষ্টির স্বাদ পেয়ে ভূয়সী প্রশংসা করার পাশাপাশি নিজেদের গন্তব্যের জন্যও কেনাকাটা করছেন তাঁরা। তবে সব আনন্দের মাঝেও ক্রেতাদের চোখ টেনেছে থরে থরে সাজানো রঙিন মিষ্টির অনুপস্থিতি। প্রশাসনের কঠোর বার্তা এবং পুজো চলাকালীন টানা চেকিং অভিযানের ফলে ক্ষতিকারক রঙের ব্যবহার বন্ধ করেছেন কারিগররা। স্বাস্থ্যের সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে বিজয়ার মিষ্টিমুখে এমন সচেতনতার পরিবেশ তৈরি হওয়াকে স্বাগত জানাচ্ছেন সব স্তরের মানুষই।

Jalpaiguri sweet market: পুজো মিটতেই প্রশাসনিক হানা, বিজয়ার মিষ্টান্নে উধাও রঙিন মিষ্টি!