Chorbagan stampede: পুলিশের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরণ! চোরবাগান নিয়ে মুখ খুলে কাকে দুষলেন রত্না?
কলকাতা: কলকাতার চোরবাগানে সাম্প্রতিক মর্মান্তিক পদপিষ্টের বিপর্যয়ে পুজো কমিটির পাশাপাশি রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করলেন পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ। শনিবারের ওই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির দু’জন বাসিন্দার প্রাণহানির পর রবিবার শোকার্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের তীব্র গাফিলতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এই বিজেপি বিধায়ক।রবিবার সকালে পানিহাটির জয় অ্যাপার্টমেন্টে মৃত কল্পনা জানার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন বিধায়ক। শোকাহত পুত্র ও কন্যার কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে তিনি অভিযোগ করেন, প্যান্ডেল থেকে বেরোনোর অত্যন্ত সংকীর্ণ পথটি সম্পূর্ণ অন্ধকারচ্ছন্ন ছিল। তার ওপর মুষলধারে বৃষ্টি ও জনস্রোতের উপচে পড়া ভিড় পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলে। প্যান্ডেলের ভিতরে কোনও গুজব ছড়িয়ে পড়ার জেরে চরম আতঙ্ক তৈরি হলেও তা সামাল দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় প্রশাসন। ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, এত বিপুল পরিমাণ মানুষের সমাগম হতে পারে জেনেও কেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়নি? পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে না থাকলে এই প্রাণহানি এড়ানো যেত বলে দাবি তাঁর।একই সঙ্গে, এই দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক পরিণতি বরণ করা ১৩ বছরের কিশোর প্রাঞ্জল সরকারের শোকস্তব্ধ বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করেন রত্না দেবনাথ। ছেলের আকস্মিক চলে যাওয়া এখনও মেনে নিতে পারছেন না তার পরিবার। কলকাতা: কলকাতার চোরবাগানে সাম্প্রতিক মর্মান্তিক পদপিষ্টের বিপর্যয়ে পুজো কমিটির পাশাপাশি রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করলেন পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ। শনিবারের ওই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির দু’জন বাসিন্দার প্রাণহানির পর রবিবার শোকার্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের তীব্র গাফিলতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এই বিজেপি বিধায়ক।রবিবার সকালে পানিহাটির জয় অ্যাপার্টমেন্টে মৃত কল্পনা জানার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন বিধায়ক। শোকাহত পুত্র ও কন্যার কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে তিনি অভিযোগ করেন, প্যান্ডেল থেকে বেরোনোর অত্যন্ত সংকীর্ণ পথটি সম্পূর্ণ অন্ধকারচ্ছন্ন ছিল। তার ওপর মুষলধারে বৃষ্টি ও জনস্রোতের উপচে পড়া ভিড় পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলে। প্যান্ডেলের ভিতরে কোনও গুজব ছড়িয়ে পড়ার জেরে চরম আতঙ্ক তৈরি হলেও তা সামাল দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় প্রশাসন। ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, এত বিপুল পরিমাণ মানুষের সমাগম হতে পারে জেনেও কেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়নি? পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে না থাকলে এই প্রাণহানি এড়ানো যেত বলে দাবি তাঁর।একই সঙ্গে, এই দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক পরিণতি বরণ করা ১৩ বছরের কিশোর প্রাঞ্জল সরকারের শোকস্তব্ধ বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করেন রত্না দেবনাথ। ছেলের আকস্মিক চলে যাওয়া এখনও মেনে নিতে পারছেন না তার পরিবার। উল্লেখ্য, এই বিপর্যয়ের দিনেই মৃত কল্পনা জানার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন আরজি করের নির্যাতিতার মা-ও। এক সপ্তাহের মধ্যে পরপর এমন দুর্ঘটনায় পুজোর মণ্ডপগুলিতে পুলিশি নিরাপত্তা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের ফাঁকফোকরগুলো এবার অত্যন্ত জোরালোভাবে সামনে চলে এসেছে।উল্লেখ্য, এই বিপর্যয়ের দিনেই মৃত কল্পনা জানার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন আরজি করের নির্যাতিতার মা-ও। এক সপ্তাহের মধ্যে পরপর এমন দুর্ঘটনায় পুজোর মণ্ডপগুলিতে পুলিশি নিরাপত্তা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের ফাঁকফোকরগুলো এবার অত্যন্ত জোরালোভাবে সামনে চলে এসেছে।