Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Indian IT: মার্কিন মুলুকে ট্রাম্পের কড়াকড়ি! ভারতীয় IT কর্মীদের গ্রিন কার্ড স্বপ্ন কি বিশ বাঁও জলে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
Indian IT: মার্কিন মুলুকে ট্রাম্পের কড়াকড়ি! ভারতীয় IT কর্মীদের গ্রিন কার্ড স্বপ্ন কি বিশ বাঁও জলে?
টাটা কনসালট্যন্সি সার্ভিসেসও (টিসিএস)। ফাইল চিত্র

মুম্বই: পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন বা পিইআরএম কর্মসূচি সাসপেন্ড করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন প্রশাসনের কোপে পড়ে বড়সড় ধাক্কা খেল একাদিক নামী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা, যার প্রভাব সরাসরি পড়তে পারে ভারতীয় আইটি পেশাদারদের ওপর। পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন বা 'পিইআরএম' (PERM) কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর জেরে একাধিক ভারতীয় এবং বিদেশি টেক জায়ান্টের স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন অর্থাৎ গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া থমকে গেছে। এই তালিকায় টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস বা টিসিএস-এর নাম সামনে আসতেই বিশ্বজুড়ে ভারতীয় কর্মীদের মনে তীব্র উৎকণ্ঠা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

আমেরিকান শ্রম বিভাগের এই আচমকা রায়ে টিসিএস, ইনফোসিস, উইপ্রো, এইচসিএল টেক এবং কগনিজ্যান্টের মতো বড় বড় সংস্থাকে পিইআরএম কর্মসূচির বাইরে রাখা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার জল বেশি দূর গড়ায়নি, তাতেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে ভারতীয় প্রযুক্তি জায়ান্ট টিসিএস। শুক্রবার স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া এক নথিতে সংস্থাটি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন সরকারের এই চরম সিদ্ধান্তে তাদের কর্মী নিয়োগের ছক কিংবা গ্রাহক পরিষেবায় একবিন্দুও প্রভাব পড়বে না। কারণ, গত দুই বছরে তাদের তরফ থেকে পিইআরএম আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সংখ্যাটা ছিল একেবারে এক অঙ্কের ঘরে।


উল্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিজস্ব জমি আরও শক্ত করার বড় বার্তা দিয়েছে টিসিএস। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে তারা আমেরিকায় আরও ১৫ হাজার নতুন স্থানীয় কর্মী নিয়োগের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে মার্কিন মুলুকে বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্থানীয় মেধা ব্যবহারের ওপরই জোর দিচ্ছে এই ভারতীয় টেক সংস্থা। আমেরিকা জুড়ে থাকা ৩১টি অফিস ও ডেলিভারি সেন্টারের মাধ্যমে ক্যাম্পাসিং ও স্থানীয় নিয়োগকেই পাখির চোখ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও, ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশিকা ও মার্কিন শ্রম বিভাগের সমস্ত নিয়মকানুন পূর্ণমাত্রায় মেনে চলার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এইচ-১বি (H-1B) ভিসার মতো অস্থায়ী কাজের সুযোগের সঙ্গে পিইআরএম প্রক্রিয়াটি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত, যা স্থায়ী বসবাসের বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার মূল রাস্তা খোলে। এই কর্মসূচি বন্ধ হওয়ায় যে সমস্ত ভারতীয় কর্মী দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ এখন কিছুটা হলেও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল। তবু টিসিএস-এর মতো বৃহৎ সংস্থার এই দৃঢ় অবস্থান ও স্থানীয় বাজারে বড়সড় নিয়োগের ঘোষণা কর্মী মহলে সাময়িক স্বস্তি জোগাচ্ছ।

বিষয় : DonaldTrump TechNews TCS

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


Indian IT: মার্কিন মুলুকে ট্রাম্পের কড়াকড়ি! ভারতীয় IT কর্মীদের গ্রিন কার্ড স্বপ্ন কি বিশ বাঁও জলে?

প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
মুম্বই: পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন বা পিইআরএম কর্মসূচি সাসপেন্ড করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন প্রশাসনের কোপে পড়ে বড়সড় ধাক্কা খেল একাদিক নামী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা, যার প্রভাব সরাসরি পড়তে পারে ভারতীয় আইটি পেশাদারদের ওপর। পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন বা 'পিইআরএম' (PERM) কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর জেরে একাধিক ভারতীয় এবং বিদেশি টেক জায়ান্টের স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন অর্থাৎ গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া থমকে গেছে। এই তালিকায় টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস বা টিসিএস-এর নাম সামনে আসতেই বিশ্বজুড়ে ভারতীয় কর্মীদের মনে তীব্র উৎকণ্ঠা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।আমেরিকান শ্রম বিভাগের এই আচমকা রায়ে টিসিএস, ইনফোসিস, উইপ্রো, এইচসিএল টেক এবং কগনিজ্যান্টের মতো বড় বড় সংস্থাকে পিইআরএম কর্মসূচির বাইরে রাখা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার জল বেশি দূর গড়ায়নি, তাতেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে ভারতীয় প্রযুক্তি জায়ান্ট টিসিএস। শুক্রবার স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া এক নথিতে সংস্থাটি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন সরকারের এই চরম সিদ্ধান্তে তাদের কর্মী নিয়োগের ছক কিংবা গ্রাহক পরিষেবায় একবিন্দুও প্রভাব পড়বে না। কারণ, গত দুই বছরে তাদের তরফ থেকে পিইআরএম আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সংখ্যাটা ছিল একেবারে এক অঙ্কের ঘরে।উল্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিজস্ব জমি আরও শক্ত করার বড় বার্তা দিয়েছে টিসিএস। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে তারা আমেরিকায় আরও ১৫ হাজার নতুন স্থানীয় কর্মী নিয়োগের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে মার্কিন মুলুকে বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্থানীয় মেধা ব্যবহারের ওপরই জোর দিচ্ছে এই ভারতীয় টেক সংস্থা। আমেরিকা জুড়ে থাকা ৩১টি অফিস ও ডেলিভারি সেন্টারের মাধ্যমে ক্যাম্পাসিং ও স্থানীয় নিয়োগকেই পাখির চোখ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও, ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশিকা ও মার্কিন শ্রম বিভাগের সমস্ত নিয়মকানুন পূর্ণমাত্রায় মেনে চলার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এইচ-১বি (H-1B) ভিসার মতো অস্থায়ী কাজের সুযোগের সঙ্গে পিইআরএম প্রক্রিয়াটি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত, যা স্থায়ী বসবাসের বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার মূল রাস্তা খোলে। এই কর্মসূচি বন্ধ হওয়ায় যে সমস্ত ভারতীয় কর্মী দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ এখন কিছুটা হলেও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল। তবু টিসিএস-এর মতো বৃহৎ সংস্থার এই দৃঢ় অবস্থান ও স্থানীয় বাজারে বড়সড় নিয়োগের ঘোষণা কর্মী মহলে সাময়িক স্বস্তি জোগাচ্ছ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত