Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Mid Day Meal: রাজ্যের কোনও স্কুলে বন্ধ করা যাবে না মিড-ডে মিল: প্রায় ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
Mid Day Meal: রাজ্যের কোনও স্কুলে বন্ধ করা যাবে না মিড-ডে মিল: প্রায় ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণের
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি

কলকাতা: রাজ্যের কোনও স্কুলেই যেন কোনও অজুহাতে বন্ধ না হয় মিড-ডে মিল, এবার স্পষ্ট ভাষায় কড়া নির্দেশ দিলেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। একই সঙ্গে ফান্ডের অভাব মেটাতে এবং রান্না চালিয়ে যেতে প্রায় হাজার কোটি টাকার বিরাট বরাদ্দ করল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। কয়েক দিন আগেই গড়িয়া ও দমদমের বেশ কয়েকটি স্কুলে টাকার অভাবে টানা কয়েক দিন মিড-ডে মিল বন্ধ থাকার চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছিল। খবর জানাজানি হতেই তৎপর হয় জেলা প্রশাসন এবং তড়িঘড়ি সেখানে পরিষেবা চালু করা হয়। তবে মিড-ডে মিলের অর্থ বরাদ্দ এবং রাঁধুনিদের বকেয়া ভাতা নিয়ে রাজ্যজুড়ে যে জল্পনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, তার সব প্রশ্নের জবাব দিয়ে এবার প্রশাসনিক অবস্থান পরিষ্কার করে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ সাফ জানিয়েছেন, কেন্দ্র-রাজ্যের যৌথ উদ্যোগ ‘পিএম পোষণ’ প্রকল্পটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে রাজ্য সরকার। তিনি পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, নভেম্বর মাস পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুলের রাঁধুনিদের প্রয়োজন মেটাতে ৪২৪ কোটি টাকা এবং রান্নার আনুষঙ্গিক খরচের জন্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫৭৩ কোটি টাকা— অর্থাৎ সর্বসাকুল্যে ৯৯৭ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ ইতিমধ্যেই দফতর থেকে মঞ্জুর করে দেওয়া হয়েছে। ফলে অন্তত অক্টোবর বা নভেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলে স্কুলে মিড-ডে মিল চালানো নিয়ে কোনও আর্থিক সংকট থাকার কথা নয়। তা ছাড়া, উৎসবের মরসুম অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগেই সমস্ত রাঁধুনির বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গড়িয়ার বোড়াল স্বামীজি বিদ্যাপীঠে দীর্ঘ তিন মাস ধরে ফান্ড না আসায় দেনায় ডুবে শেষ পর্যন্ত মিড-ডে মিল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই খবর সম্প্রচারিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন এবং জেলা আধিকারিকেরা অবিলম্বে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা পাঠানোর বার্তা দিয়ে রান্না ফের চালু করান। কিন্তু ভবিষ্যতে যাতে রাজ্যের কোনও কোণেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য আগাম সতর্কতা হিসেবেই এই বিপুল পরিমাণ বিপুল অর্থ রাজকোষ থেকে বরাদ্দ করা হলো। শিক্ষামন্ত্রীর এই চরম হুঁশিয়ারি ও অর্থ বরাদ্দের পর রাজ্যের হাজার হাজার পড়ুয়া ও রাঁধুনিদের মুখে স্বস্তির হাসি ফুটবে বলেই মনে করা হচ্ছে।


বিষয় : BengalNews KolkataNews HiddenStoriesNews WestBengalEducation schooleducation PujaGift MidDayMeal DipakBarman PMPoshan

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


Mid Day Meal: রাজ্যের কোনও স্কুলে বন্ধ করা যাবে না মিড-ডে মিল: প্রায় ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণের

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রাজ্যের কোনও স্কুলেই যেন কোনও অজুহাতে বন্ধ না হয় মিড-ডে মিল, এবার স্পষ্ট ভাষায় কড়া নির্দেশ দিলেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। একই সঙ্গে ফান্ডের অভাব মেটাতে এবং রান্না চালিয়ে যেতে প্রায় হাজার কোটি টাকার বিরাট বরাদ্দ করল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। কয়েক দিন আগেই গড়িয়া ও দমদমের বেশ কয়েকটি স্কুলে টাকার অভাবে টানা কয়েক দিন মিড-ডে মিল বন্ধ থাকার চাঞ্চল্যকর খবর সামনে এসেছিল। খবর জানাজানি হতেই তৎপর হয় জেলা প্রশাসন এবং তড়িঘড়ি সেখানে পরিষেবা চালু করা হয়। তবে মিড-ডে মিলের অর্থ বরাদ্দ এবং রাঁধুনিদের বকেয়া ভাতা নিয়ে রাজ্যজুড়ে যে জল্পনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, তার সব প্রশ্নের জবাব দিয়ে এবার প্রশাসনিক অবস্থান পরিষ্কার করে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী।শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ সাফ জানিয়েছেন, কেন্দ্র-রাজ্যের যৌথ উদ্যোগ ‘পিএম পোষণ’ প্রকল্পটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে রাজ্য সরকার। তিনি পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, নভেম্বর মাস পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুলের রাঁধুনিদের প্রয়োজন মেটাতে ৪২৪ কোটি টাকা এবং রান্নার আনুষঙ্গিক খরচের জন্য সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫৭৩ কোটি টাকা— অর্থাৎ সর্বসাকুল্যে ৯৯৭ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ ইতিমধ্যেই দফতর থেকে মঞ্জুর করে দেওয়া হয়েছে। ফলে অন্তত অক্টোবর বা নভেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলে স্কুলে মিড-ডে মিল চালানো নিয়ে কোনও আর্থিক সংকট থাকার কথা নয়। তা ছাড়া, উৎসবের মরসুম অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগেই সমস্ত রাঁধুনির বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, গড়িয়ার বোড়াল স্বামীজি বিদ্যাপীঠে দীর্ঘ তিন মাস ধরে ফান্ড না আসায় দেনায় ডুবে শেষ পর্যন্ত মিড-ডে মিল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই খবর সম্প্রচারিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন এবং জেলা আধিকারিকেরা অবিলম্বে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা পাঠানোর বার্তা দিয়ে রান্না ফের চালু করান। কিন্তু ভবিষ্যতে যাতে রাজ্যের কোনও কোণেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য আগাম সতর্কতা হিসেবেই এই বিপুল পরিমাণ বিপুল অর্থ রাজকোষ থেকে বরাদ্দ করা হলো। শিক্ষামন্ত্রীর এই চরম হুঁশিয়ারি ও অর্থ বরাদ্দের পর রাজ্যের হাজার হাজার পড়ুয়া ও রাঁধুনিদের মুখে স্বস্তির হাসি ফুটবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত