Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Nandigram Bypoll: হাই কোর্টের নির্দেশে বড় স্বস্তি নন্দীগ্রামের জেলবন্দি কংগ্রেস প্রার্থীর! ১২ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন পদক্ষেপে আইনি নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nandigram Bypoll: হাই কোর্টের নির্দেশে বড় স্বস্তি নন্দীগ্রামের জেলবন্দি কংগ্রেস প্রার্থীর! ১২ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন পদক্ষেপে আইনি নিষেধাজ্ঞা
বড় স্বস্তি নন্দীগ্রামের জেলবন্দি কংগ্রেস প্রার্থীর।

কলকাতা: নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের ঠিক মুখেই আইনি লড়াইয়ে বড়সড় স্বস্তি পেলেন জেলবন্দি কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক নতুন মামলা দায়ের এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ প্রদান করল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ওই কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো নতুন পদক্ষেপ করতে পারবে না। এমনকি নতুন কোনো মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারও করা যাবে না।

প্রসঙ্গতঃ, ২০০৭ সালের ঐতিহাসিক নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়কালের প্রায় ১৯ বছরের পুরনো চারটি মামলায় সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, বেআইনি জমায়েত ও লুটপাটের মতো গুরুতর অভিযোগ এনে নন্দীগ্রাম থানায় তিনটি এবং খেজুরি থানায় একটি মামলা রুজু করে পুলিশ। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে নন্দীগ্রাম থানার মামলায় ৫ অক্টোবর এবং খেজুরির মামলায় ৭ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এই অবস্থায় পুলিশের অতিসক্রিয়তা ও একের পর এক মামলা যুক্ত করার বিরুদ্ধে সুরক্ষা চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার শুনানিপর্বে মিলনের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অভিযোগ তোলেন, রাজ্য পূর্বে আদালতে জানিয়েছিল যে প্রার্থীর বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা বিচারাধীন নেই। তা সত্ত্বেও আদালতের বক্তব্য অমান্য করে নতুন আরেকটি পুরোনো মামলায় মিলনকে যুক্ত করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জবাবে রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার দাবি করেন, শুনানির আগেই গত ১৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে উষ্মা প্রকাশ করে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, পূর্বতন সরকারের আমলে যে মামলাগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল এবং ২০২১ সালে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি সত্ত্বেও এতদিন কেন পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল? ঠিক উপনির্বাচনের মুখেই কেন সেপ্টেম্বরে এসে তাঁকে গ্রেফতার করা হলো?

রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে সমস্ত যুক্তি খতিয়ে দেখে আদালত পুলিশি পদক্ষেপে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে। এর ফলে ভোটের উত্তাপের মধ্যেই আইনি সুরক্ষার সুবাদে মানসিক স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকেরা।


বিষয় : WestBengalPolitics CalcuttaHighCourt NandigramBypoll MilanPradhan #HiddenStoriesNews CongressCandidate NandigramNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Nandigram Bypoll: হাই কোর্টের নির্দেশে বড় স্বস্তি নন্দীগ্রামের জেলবন্দি কংগ্রেস প্রার্থীর! ১২ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন পদক্ষেপে আইনি নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের ঠিক মুখেই আইনি লড়াইয়ে বড়সড় স্বস্তি পেলেন জেলবন্দি কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক নতুন মামলা দায়ের এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ প্রদান করল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ওই কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো নতুন পদক্ষেপ করতে পারবে না। এমনকি নতুন কোনো মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারও করা যাবে না।প্রসঙ্গতঃ, ২০০৭ সালের ঐতিহাসিক নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়কালের প্রায় ১৯ বছরের পুরনো চারটি মামলায় সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, বেআইনি জমায়েত ও লুটপাটের মতো গুরুতর অভিযোগ এনে নন্দীগ্রাম থানায় তিনটি এবং খেজুরি থানায় একটি মামলা রুজু করে পুলিশ। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে নন্দীগ্রাম থানার মামলায় ৫ অক্টোবর এবং খেজুরির মামলায় ৭ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এই অবস্থায় পুলিশের অতিসক্রিয়তা ও একের পর এক মামলা যুক্ত করার বিরুদ্ধে সুরক্ষা চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রার্থী।বৃহস্পতিবার শুনানিপর্বে মিলনের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অভিযোগ তোলেন, রাজ্য পূর্বে আদালতে জানিয়েছিল যে প্রার্থীর বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা বিচারাধীন নেই। তা সত্ত্বেও আদালতের বক্তব্য অমান্য করে নতুন আরেকটি পুরোনো মামলায় মিলনকে যুক্ত করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জবাবে রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার দাবি করেন, শুনানির আগেই গত ১৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে উষ্মা প্রকাশ করে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, পূর্বতন সরকারের আমলে যে মামলাগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল এবং ২০২১ সালে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি সত্ত্বেও এতদিন কেন পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল? ঠিক উপনির্বাচনের মুখেই কেন সেপ্টেম্বরে এসে তাঁকে গ্রেফতার করা হলো?রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে সমস্ত যুক্তি খতিয়ে দেখে আদালত পুলিশি পদক্ষেপে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে। এর ফলে ভোটের উত্তাপের মধ্যেই আইনি সুরক্ষার সুবাদে মানসিক স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকেরা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত