Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

India Bangladesh Relations: ‘হাসিনাকে ফেরাতে তৈরি ভারত?’ গুঞ্জনে তোলপাড় ঢাকা, নয়াদিল্লির আসল অবস্থান ফাঁস বিদেশ মন্ত্রকের!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
 India Bangladesh Relations: ‘হাসিনাকে ফেরাতে তৈরি ভারত?’ গুঞ্জনে তোলপাড় ঢাকা, নয়াদিল্লির আসল অবস্থান ফাঁস বিদেশ মন্ত্রকের!
শেখ হাসিনা, নরেন্দ্র মোদী, তারেক রহমান

নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানো নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। ওপার বাংলার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলের একাংশ দাবি করছে, হাসিনাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে হস্তান্তরে নাকি সম্মত হয়েছে নয়াদিল্লি। এই নিয়ে প্রথম সারির বাংলাদেশী সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে সমাজমাধ্যমে নানা খবরের ঝড় উঠেছে। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের সাম্প্রতিক বয়ান এবং নয়াদিল্লির কঠোর মনোভাব স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, বাস্তবে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে নিজেদের আগের অবস্থান থেকে একচুলও সরেনি ভারত।

দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কীভাবে দেশে ফিরবেন, তা নিয়ে এখনও জটিলতা অব্যাহত। ভারত শুরু থেকেই জানিয়ে এসেছে, বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে হাসিনা নিজেই দেশে ফিরতে ইচ্ছুক। তবে তার জন্য ঢাকা সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন, বিশেষ করে তাঁর বাতিল হওয়া পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রয়োজনীয় ট্রাভেল ডকুমেন্ট প্রদান করা জরুরি। অন্যথায়, বাংলাদেশে অবস্থানরত তারেক রহমানের বর্তমান সরকার দাবি তুলছে যে হাসিনা সাজাপ্রাপ্ত আসামি এবং দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি মেনেই ভারতকে তাঁকে তুলে দিতে হবে।


এই প্রত্যর্পণ দাবির প্রসঙ্গে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেছেন যে, হাসিনাকে ফেরানোর সমস্ত বিষয়টি শুধুমাত্র আইনি ও বিচারিক দৃষ্টিকোণ থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি দীর্ঘ দেড় বছর ধরে ভারতের অনড় রাষ্ট্রীয় অবস্থান। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীও এই প্রসঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও সুযোগ থাকে না। ফলে এই সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া ভারতের পক্ষে সম্ভব নয়।

আসলে বাহ্যিকভাবে আইনি ব্যবস্থার কথা বলা হলেও নয়াদিল্লির স্পষ্ট বার্তা— বাংলাদেশ সরকারের উচিত শেখ হাসিনার নিজস্ব সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দেওয়া। হাসিনা নিজেই ঘোষণা করেছেন যে তিনি ডিসেম্বর মাসে দেশে ফিরতে চান। ভারত চায় বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সেই সুযোগ করে দিক। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতীয় আধিকারিকরা বিষয়টি বারবার ঢাকার কাছে উত্থাপন করলেও তাতে রাজি হয়নি বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন। ফলে হাসিনাকে হস্তান্তরের দাবিতে ঢাকা চাপ বাড়ালেও, নিজের অবস্থানে এখনও শক্ত দাঁড়িয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি।

বিষয় : Sheikh Hasina india bangladesh relation

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


India Bangladesh Relations: ‘হাসিনাকে ফেরাতে তৈরি ভারত?’ গুঞ্জনে তোলপাড় ঢাকা, নয়াদিল্লির আসল অবস্থান ফাঁস বিদেশ মন্ত্রকের!

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানো নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। ওপার বাংলার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলের একাংশ দাবি করছে, হাসিনাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে হস্তান্তরে নাকি সম্মত হয়েছে নয়াদিল্লি। এই নিয়ে প্রথম সারির বাংলাদেশী সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে সমাজমাধ্যমে নানা খবরের ঝড় উঠেছে। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের সাম্প্রতিক বয়ান এবং নয়াদিল্লির কঠোর মনোভাব স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, বাস্তবে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে নিজেদের আগের অবস্থান থেকে একচুলও সরেনি ভারত।দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কীভাবে দেশে ফিরবেন, তা নিয়ে এখনও জটিলতা অব্যাহত। ভারত শুরু থেকেই জানিয়ে এসেছে, বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে হাসিনা নিজেই দেশে ফিরতে ইচ্ছুক। তবে তার জন্য ঢাকা সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন, বিশেষ করে তাঁর বাতিল হওয়া পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেওয়া বা প্রয়োজনীয় ট্রাভেল ডকুমেন্ট প্রদান করা জরুরি। অন্যথায়, বাংলাদেশে অবস্থানরত তারেক রহমানের বর্তমান সরকার দাবি তুলছে যে হাসিনা সাজাপ্রাপ্ত আসামি এবং দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি মেনেই ভারতকে তাঁকে তুলে দিতে হবে।এই প্রত্যর্পণ দাবির প্রসঙ্গে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেছেন যে, হাসিনাকে ফেরানোর সমস্ত বিষয়টি শুধুমাত্র আইনি ও বিচারিক দৃষ্টিকোণ থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি দীর্ঘ দেড় বছর ধরে ভারতের অনড় রাষ্ট্রীয় অবস্থান। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীও এই প্রসঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও সুযোগ থাকে না। ফলে এই সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া ভারতের পক্ষে সম্ভব নয়।আসলে বাহ্যিকভাবে আইনি ব্যবস্থার কথা বলা হলেও নয়াদিল্লির স্পষ্ট বার্তা— বাংলাদেশ সরকারের উচিত শেখ হাসিনার নিজস্ব সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দেওয়া। হাসিনা নিজেই ঘোষণা করেছেন যে তিনি ডিসেম্বর মাসে দেশে ফিরতে চান। ভারত চায় বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সেই সুযোগ করে দিক। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতীয় আধিকারিকরা বিষয়টি বারবার ঢাকার কাছে উত্থাপন করলেও তাতে রাজি হয়নি বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন। ফলে হাসিনাকে হস্তান্তরের দাবিতে ঢাকা চাপ বাড়ালেও, নিজের অবস্থানে এখনও শক্ত দাঁড়িয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত