Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Election Commission Of India: দুই কমিশনারের জোরালো 'আপত্তি' মেনে পিছু হটল নির্বাচন কমিশন! বাংলা-সহ ১৩ রাজ্যে ফিরল নতুন ভোটারের পুরনো ফর্ম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Election Commission Of India: দুই কমিশনারের জোরালো 'আপত্তি' মেনে পিছু হটল নির্বাচন কমিশন! বাংলা-সহ ১৩ রাজ্যে ফিরল নতুন ভোটারের পুরনো ফর্ম
প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: নতুন ভোটারদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বড় খবর। দুই নির্বাচন কমিশনারের দীর্ঘদিনের তীব্র আপত্তি ও আইনি সতর্কবার্তার সামনে অবশেষে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হলো দেশের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)। বুধবার গভীর রাত থেকে কমিশনের নিজস্ব 'ইসিআইনেট' পোর্টালে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য যে ৬ নম্বর ফর্ম (ফর্ম ৬) পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে তুলে নেওয়া হয়েছে চরম বিতর্কিত এসআইআর সংক্রান্ত ধারাটি। যার ফলে পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের ১০টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নতুন আবেদনকারীদের আর বাবা বা পিতামহের এসআইআর তথ্য ও ম্যাপিং সংক্রান্ত জটিল নথিপত্র দিতে হবে না।

প্রশাসন সূত্রে খবর, শনিবারই কমিশনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল যে, যেসব অঞ্চলে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে কিংবা যেখানে এসআইআর হচ্ছে না, সেখানে ১৯৬০ সালের মূল ভোটার আইন অনুসরণ করেই ফর্ম পাওয়া যাবে। সেই ঘোষণার ঠিক তিন দিন পরই পোর্টালে এই পরিবর্তন দৃশ্যমান হলো। নতুন এই সংস্কারের ফলে এখন থেকে ফর্ম ৬-এর পুরনো এবং সহজ সরল সংস্করণেই নাম নথিভুক্ত করা যাবে।

পূর্বে চালু থাকা ৬ নম্বর ফর্মের 'জে' এবং 'কে' অংশে নতুন আবেদনকারীদের বাধ্যতামূলকভাবে জানাতে হতো যে, পূর্ববর্তী এসআইআর তালিকায় তাঁদের বাবা বা পিতামহের নাম রয়েছে কি না। যদি নাম থাকত, তবে বুথ নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক ছিল। কমিশনের এই অতিরিক্ত শর্ত নিয়ে নজিরবিহীন বিতর্ক তৈরি হয়। জানা গেছে, গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন একতরফা সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সঁধু এবং জোশী। বিশেষ করে কমিশনার সঁধু স্পষ্ট ভাষায় এই পরিবর্তনকে 'অবৈধ' বলে চিহ্নিত করেন এবং সতর্ক করেছিলেন যে, সরকারি আইনে কোনো সংশোধন না এনে ফর্মে এই ধরনের চাপিয়ে দেওয়া পরিবর্তন অন্যায়।

অবশেষে সেই কমিশনারদের আপত্তিতে সিলমোহর দিয়ে ১০টি রাজ্য ও ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নতুন ভোটারদের স্বস্তি দিল কমিশন। তবে যে ১৬টি রাজ্য ও ৪টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখনও এসআইআর-এর কাজ সক্রিয়ভাবে চলছে, সেখানে আপাতত পুরনো কড়াকড়ি বজায় থাকছে। জাতীয় রাজনীতির পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্তির পথ অনেকটাই সুগম হবে।


বিষয় : ECI WestBengalNews INDIANPOLITICS voterid HiddenStoriesNews ELECTIONCOMMISSIONOFINDIA BreakingNewsIndia Form6 SIRUpdate VoterRegistration

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Election Commission Of India: দুই কমিশনারের জোরালো 'আপত্তি' মেনে পিছু হটল নির্বাচন কমিশন! বাংলা-সহ ১৩ রাজ্যে ফিরল নতুন ভোটারের পুরনো ফর্ম

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: নতুন ভোটারদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বড় খবর। দুই নির্বাচন কমিশনারের দীর্ঘদিনের তীব্র আপত্তি ও আইনি সতর্কবার্তার সামনে অবশেষে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হলো দেশের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)। বুধবার গভীর রাত থেকে কমিশনের নিজস্ব 'ইসিআইনেট' পোর্টালে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য যে ৬ নম্বর ফর্ম (ফর্ম ৬) পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে তুলে নেওয়া হয়েছে চরম বিতর্কিত এসআইআর সংক্রান্ত ধারাটি। যার ফলে পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের ১০টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নতুন আবেদনকারীদের আর বাবা বা পিতামহের এসআইআর তথ্য ও ম্যাপিং সংক্রান্ত জটিল নথিপত্র দিতে হবে না।প্রশাসন সূত্রে খবর, শনিবারই কমিশনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল যে, যেসব অঞ্চলে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে কিংবা যেখানে এসআইআর হচ্ছে না, সেখানে ১৯৬০ সালের মূল ভোটার আইন অনুসরণ করেই ফর্ম পাওয়া যাবে। সেই ঘোষণার ঠিক তিন দিন পরই পোর্টালে এই পরিবর্তন দৃশ্যমান হলো। নতুন এই সংস্কারের ফলে এখন থেকে ফর্ম ৬-এর পুরনো এবং সহজ সরল সংস্করণেই নাম নথিভুক্ত করা যাবে।পূর্বে চালু থাকা ৬ নম্বর ফর্মের 'জে' এবং 'কে' অংশে নতুন আবেদনকারীদের বাধ্যতামূলকভাবে জানাতে হতো যে, পূর্ববর্তী এসআইআর তালিকায় তাঁদের বাবা বা পিতামহের নাম রয়েছে কি না। যদি নাম থাকত, তবে বুথ নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক ছিল। কমিশনের এই অতিরিক্ত শর্ত নিয়ে নজিরবিহীন বিতর্ক তৈরি হয়। জানা গেছে, গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন একতরফা সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সঁধু এবং জোশী। বিশেষ করে কমিশনার সঁধু স্পষ্ট ভাষায় এই পরিবর্তনকে 'অবৈধ' বলে চিহ্নিত করেন এবং সতর্ক করেছিলেন যে, সরকারি আইনে কোনো সংশোধন না এনে ফর্মে এই ধরনের চাপিয়ে দেওয়া পরিবর্তন অন্যায়।অবশেষে সেই কমিশনারদের আপত্তিতে সিলমোহর দিয়ে ১০টি রাজ্য ও ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নতুন ভোটারদের স্বস্তি দিল কমিশন। তবে যে ১৬টি রাজ্য ও ৪টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখনও এসআইআর-এর কাজ সক্রিয়ভাবে চলছে, সেখানে আপাতত পুরনো কড়াকড়ি বজায় থাকছে। জাতীয় রাজনীতির পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্তির পথ অনেকটাই সুগম হবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত