Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

BCCI: ফের বিতর্কে ভারতীয় ক্রিকেট! আগরকর-লক্ষ্মণ দ্বন্দ্বে তুঙ্গে বিসিসিআইয়ের অন্দরমহল

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
BCCI: ফের বিতর্কে ভারতীয় ক্রিকেট! আগরকর-লক্ষ্মণ দ্বন্দ্বে তুঙ্গে বিসিসিআইয়ের অন্দরমহল
বোর্ডের অন্দরে আগারকর-লক্ষ্মণের বিবাদ! ছবি : সংগৃহীত

মুম্বই: ফের বড় সড় বিতর্কের মেঘ ভারতীয় ক্রিকেটের আকাশে। 

এবার কোনও মাঠের লড়াই বা চাপানউতোর নয়। বিতর্ক দানা বেঁধেছে বোর্ডের নীতি নির্ধারণের মূল চালিকাশক্তিদের মধ্যে। জাতীয় নির্বাচন প্রধান অজিত আগরকর এবং ‘বিসিসিআই সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’ (পূর্বতন এনসিএ)-এর প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ও নীতিগত মতপার্থক্য এখন চরম আকার ধারণ করেছে। 

যা ভারতীয় দলের অন্দরমহলের ভিত নড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। এই টানাপোড়েনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে অজিত আগারকরের প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে বিদায় এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিতর্কের সলতে পাকানো শুরু হয়েছিল বেশ কিছুদিন ধরেই, তবে সম্প্রতি মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত বিসিসিআইয়ের হাই-প্রোফাইল পর্যালোচনা বৈঠকে আগারকরের রহস্যজনক অনুপস্থিতি পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে ফেলে। 

ইংল্যান্ড সিরিজের বিপর্যয় এবং দলের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আয়োজিত এই অত্যন্ত জরুরি বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন আগরকর। সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর, বৈঠকে তাঁর অনুপস্থিতি নাকি একপ্রকার ‘শাপে বর’ হিসেবেই দেখেছে বোর্ড। 

কারণ, তিনি বৈঠকে যোগ দিলে ভিভিএস লক্ষ্মণের সঙ্গে সরাসরি বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। একসময়ের সতীর্থ আগরকর ও লক্ষ্মণের মধ্যে চোটপ্রাপ্ত ক্রিকেটারদের পুনর্বাসন নীতি এবং ‘ইন্ডিয়া এ’ (India A) দলের সময়সূচি নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র মতপার্থক্য চলছিল।

সূত্রের খবর, এশিয়ান গেমসে দ্বিতীয় সারির দল পাঠানো বা ‘ইন্ডিয়া এ’ দলের সূচির সঙ্গে ইরানি কাপের মতো ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া টুর্নামেন্টের সংঘাত নিয়ে আগরকর ও লক্ষ্মণের চিন্তা-ভাবনা ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। 

আগরকর চেয়েছিলেন চোট-আঘাত সামলে সেরা দল যেন সবসময় জাতীয় স্তরে খেলে, অন্যদিকে সিওই (COE) প্রধান হিসেবে লক্ষ্মণ যে কোনও প্রতিযোগিতাতেই সেরা একাদশ নামানোর পক্ষপাতী ছিলেন। Puducherry-তে ‘ইন্ডিয়া এ’ দলের টেস্ট ম্যাচ এবং শ্রীনগরে ইরানি কাপের তারিখ প্রায় একই সময়ে পড়ে যাওয়ায় দুই মহারথীর দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে।

শুধু সূচি সংঘাতই নয়, কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা তারকা ক্রিকেটারদের চোটের তালিকা সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হওয়া নিয়েও একে অপরের ওপর অনাস্থা তৈরি হয়। সিওই-র কাজকর্ম নিয়ে অযথা সমালোচনা হওয়ায় ক্ষুব্ধ ছিলেন লক্ষ্মণও। 

এই পারস্পরিক অবিশ্বাস ও নীতিগত বিরোধের মাঝেই পর্যালোচনা বৈঠক থেকে আগারকরের দূরে থাকা ঘটনাটিকে আরও উস্কে দিয়েছে। সব মিলিয়ে বিসিসিআইয়ের সর্বোচ্চ স্তরে এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারের ছায়াযুদ্ধ এখন ভারতীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিষয় : #BCCI #AjitAgarkar #VVSLaxman #IndianCricket #BCCINews #TeamIndia #CricketControversy #MumbaiNews #HiddenStoriesNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


BCCI: ফের বিতর্কে ভারতীয় ক্রিকেট! আগরকর-লক্ষ্মণ দ্বন্দ্বে তুঙ্গে বিসিসিআইয়ের অন্দরমহল

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
মুম্বই: ফের বড় সড় বিতর্কের মেঘ ভারতীয় ক্রিকেটের আকাশে। এবার কোনও মাঠের লড়াই বা চাপানউতোর নয়। বিতর্ক দানা বেঁধেছে বোর্ডের নীতি নির্ধারণের মূল চালিকাশক্তিদের মধ্যে। জাতীয় নির্বাচন প্রধান অজিত আগরকর এবং ‘বিসিসিআই সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’ (পূর্বতন এনসিএ)-এর প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ও নীতিগত মতপার্থক্য এখন চরম আকার ধারণ করেছে। যা ভারতীয় দলের অন্দরমহলের ভিত নড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। এই টানাপোড়েনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে অজিত আগারকরের প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে বিদায় এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।বিতর্কের সলতে পাকানো শুরু হয়েছিল বেশ কিছুদিন ধরেই, তবে সম্প্রতি মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত বিসিসিআইয়ের হাই-প্রোফাইল পর্যালোচনা বৈঠকে আগারকরের রহস্যজনক অনুপস্থিতি পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে ফেলে। ইংল্যান্ড সিরিজের বিপর্যয় এবং দলের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আয়োজিত এই অত্যন্ত জরুরি বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন আগরকর। সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর, বৈঠকে তাঁর অনুপস্থিতি নাকি একপ্রকার ‘শাপে বর’ হিসেবেই দেখেছে বোর্ড। কারণ, তিনি বৈঠকে যোগ দিলে ভিভিএস লক্ষ্মণের সঙ্গে সরাসরি বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। একসময়ের সতীর্থ আগরকর ও লক্ষ্মণের মধ্যে চোটপ্রাপ্ত ক্রিকেটারদের পুনর্বাসন নীতি এবং ‘ইন্ডিয়া এ’ (India A) দলের সময়সূচি নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র মতপার্থক্য চলছিল।সূত্রের খবর, এশিয়ান গেমসে দ্বিতীয় সারির দল পাঠানো বা ‘ইন্ডিয়া এ’ দলের সূচির সঙ্গে ইরানি কাপের মতো ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া টুর্নামেন্টের সংঘাত নিয়ে আগরকর ও লক্ষ্মণের চিন্তা-ভাবনা ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। আগরকর চেয়েছিলেন চোট-আঘাত সামলে সেরা দল যেন সবসময় জাতীয় স্তরে খেলে, অন্যদিকে সিওই (COE) প্রধান হিসেবে লক্ষ্মণ যে কোনও প্রতিযোগিতাতেই সেরা একাদশ নামানোর পক্ষপাতী ছিলেন। Puducherry-তে ‘ইন্ডিয়া এ’ দলের টেস্ট ম্যাচ এবং শ্রীনগরে ইরানি কাপের তারিখ প্রায় একই সময়ে পড়ে যাওয়ায় দুই মহারথীর দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে।শুধু সূচি সংঘাতই নয়, কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা তারকা ক্রিকেটারদের চোটের তালিকা সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হওয়া নিয়েও একে অপরের ওপর অনাস্থা তৈরি হয়। সিওই-র কাজকর্ম নিয়ে অযথা সমালোচনা হওয়ায় ক্ষুব্ধ ছিলেন লক্ষ্মণও। এই পারস্পরিক অবিশ্বাস ও নীতিগত বিরোধের মাঝেই পর্যালোচনা বৈঠক থেকে আগারকরের দূরে থাকা ঘটনাটিকে আরও উস্কে দিয়েছে। সব মিলিয়ে বিসিসিআইয়ের সর্বোচ্চ স্তরে এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটারের ছায়াযুদ্ধ এখন ভারতীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত