Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Dilip Ghosh: দিল্লি কাঁপানো ‘ককরোচ’ আন্দোলনে গোপন চক্রান্ত! বাংলাদেশের মদত নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
Dilip Ghosh: দিল্লি কাঁপানো ‘ককরোচ’ আন্দোলনে গোপন চক্রান্ত! বাংলাদেশের মদত নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি

কলকাতা: বিগত কয়েক মাস ধরে দেশের রাজধানী দিল্লিতে ছাত্র বিক্ষোভ এবং আন্দোলন নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক তরজা চলছে। নিট প্রশ্নফাঁস ও অন্যান্য একাধিক দাবিকে সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মের এই ‘ককরোচ’ আন্দোলন বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পর এবার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতেও পথে নেমেছে তারা। আর এই আন্দোলনের নেপথ্যেই এবার সরাসরি বিদেশি শক্তির মদদ থাকার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল বিজেপি শিবির। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভকে জোরালো সমর্থন জানানো এবং বিশেষ করে নাহিদ ইসলামের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে সোমবার কড়া আক্রমণ শানালেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর সাফ কথা, বিদেশি ফান্ডিংয়ের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ষড়যন্ত্রকারীরা আরও বেশি ভয় পেয়ে গেছে।


ভারতের জেন জি বা তরুণ প্রজন্মের এই প্রতিবাদের পাশে অতীতেও একাধিক দেশ বা সংগঠনের নাম শোনা গিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের কিছু নেতার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। ওপার বাংলার প্রভাবশালী নেতা নাহিদ ইসলাম ককরোচদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্ট করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। উল্লেখ্য, বছর দুয়েক আগে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং তৎকালীন সরকারের পতনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এই ছাত্রনেতারা। পরবর্তী সময়ে তাঁদের একাংশের ভারত-বিরোধী মন্তব্য এবং শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’ নিয়ে বিভিন্ন হুমকির সুর রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল। এবার সেই সূত্র ধরেই ভারতের অভ্যন্তরীণ ছাত্র আন্দোলনে বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ জোরালো হচ্ছে।


সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই ইস্যুতেই মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, ভারতকে ভেতর থেকে অশান্ত করার জন্য যে বিদেশি শক্তিগুলি সক্রিয় রয়েছে, তা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। বিদেশ থেকে নানা উপায়ে এই ধরনের বিক্ষোভে ইন্ধন জোগানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে সরকারের কঠোর নজরদারির ফলে সমস্ত অবৈধ ফান্ডিং বা অনুদানের রাস্তা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার কারণে সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলি কোণঠাসা হয়ে পড়ে আরও মরিয়া হয়ে উঠেছে। এদিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচদের ধর্না ও আন্দোলন দমাতে কেন্দ্রও যথেষ্ট কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। আন্দোলনের মূল মুখগুলির পাশাপাশি একাধিক প্রভাবশালী নেতা ও সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ঘরোয়া ছাত্র বিক্ষোভ এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং সীমান্তবর্তী রাজনীতির আবহে এক নতুন মোড় নিয়েছে।

বিষয় : Delhi Protest indian politics cockroachmovement

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬


Dilip Ghosh: দিল্লি কাঁপানো ‘ককরোচ’ আন্দোলনে গোপন চক্রান্ত! বাংলাদেশের মদত নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ

প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বিগত কয়েক মাস ধরে দেশের রাজধানী দিল্লিতে ছাত্র বিক্ষোভ এবং আন্দোলন নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক তরজা চলছে। নিট প্রশ্নফাঁস ও অন্যান্য একাধিক দাবিকে সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মের এই ‘ককরোচ’ আন্দোলন বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পর এবার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতেও পথে নেমেছে তারা। আর এই আন্দোলনের নেপথ্যেই এবার সরাসরি বিদেশি শক্তির মদদ থাকার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল বিজেপি শিবির। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভকে জোরালো সমর্থন জানানো এবং বিশেষ করে নাহিদ ইসলামের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে সোমবার কড়া আক্রমণ শানালেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর সাফ কথা, বিদেশি ফান্ডিংয়ের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ষড়যন্ত্রকারীরা আরও বেশি ভয় পেয়ে গেছে।ভারতের জেন জি বা তরুণ প্রজন্মের এই প্রতিবাদের পাশে অতীতেও একাধিক দেশ বা সংগঠনের নাম শোনা গিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের কিছু নেতার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। ওপার বাংলার প্রভাবশালী নেতা নাহিদ ইসলাম ককরোচদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্ট করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। উল্লেখ্য, বছর দুয়েক আগে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং তৎকালীন সরকারের পতনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এই ছাত্রনেতারা। পরবর্তী সময়ে তাঁদের একাংশের ভারত-বিরোধী মন্তব্য এবং শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’ নিয়ে বিভিন্ন হুমকির সুর রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল। এবার সেই সূত্র ধরেই ভারতের অভ্যন্তরীণ ছাত্র আন্দোলনে বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ জোরালো হচ্ছে।সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই ইস্যুতেই মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, ভারতকে ভেতর থেকে অশান্ত করার জন্য যে বিদেশি শক্তিগুলি সক্রিয় রয়েছে, তা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। বিদেশ থেকে নানা উপায়ে এই ধরনের বিক্ষোভে ইন্ধন জোগানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে সরকারের কঠোর নজরদারির ফলে সমস্ত অবৈধ ফান্ডিং বা অনুদানের রাস্তা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার কারণে সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলি কোণঠাসা হয়ে পড়ে আরও মরিয়া হয়ে উঠেছে। এদিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচদের ধর্না ও আন্দোলন দমাতে কেন্দ্রও যথেষ্ট কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। আন্দোলনের মূল মুখগুলির পাশাপাশি একাধিক প্রভাবশালী নেতা ও সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ঘরোয়া ছাত্র বিক্ষোভ এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং সীমান্তবর্তী রাজনীতির আবহে এক নতুন মোড় নিয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত