Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

নিট কাণ্ডেই কি তবে বড় সিদ্ধান্ত? শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়ার আসল কারণ জানালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
নিট কাণ্ডেই কি তবে বড় সিদ্ধান্ত? শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়ার আসল কারণ জানালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান!
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ফাইল চিত্র

ভুবনেশ্বর: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে প্রবল ছাত্র আন্দোলনের মাঝেই আচমকা গত ২৫ জুলাই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। আন্দোলন থামলেও তাঁর এই আকস্মিক পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘ দিন ধরে নানা প্রশ্ন আর জল্পনা ঘুরপাক খাচ্ছিল। অবশেষে সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে নিজের ইস্তফা দেওয়ার আসল কারণ প্রকাশ্যে আনলেন ওড়িশার প্রবীণ বিজেপি নেতা। ভুবনেশ্বরের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানান, পদ তাঁর কাছে কোনও দিনই গুরুত্বপূর্ণ ছিল না এবং তিনি নিজেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে গিয়ে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

ভুবনেশ্বরের জিএম ইউনিভার্সিটির অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান দাবি করেন, নিট বিতর্কের সময় নতুন প্রজন্মের পড়ুয়া বা ‘জেন-জি’-দের রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। পড়ুয়াদের নিজের সন্তানের মতো উল্লেখ করে তিনি জানান, যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে অসম্মান করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না, বরং পরিস্থিতির সংবেদনশীলতা অনুধাবন করেই তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে ইস্তফা জট কাটলেও তাঁর পিছু ছাড়েনি রাজনৈতিক বিতর্ক। এরপর রাইরাখোলে এবং বিমানবন্দরের কাছে বিজেডি কর্মী-সমর্থকদের তীব্র ক্ষোভ ও 'গো-ব্যাক' স্লোগানের মুখে পড়তে হয় তাঁকে।

প্রতিপক্ষের এই বিক্ষোভ ও ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়ে নিজেকে এক সাধারণ ‘কৃষকের ছেলে’ বলে দাবি করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জানান, দীর্ঘ ১২ বছর আগে জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদে তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন এবং পদে থাকা অবস্থায় এমন কোনো কাজ করেননি যা ওড়িশার মানুষের মুখ পুড়াতে পারে। প্রতিপক্ষের হাজারো প্রতিবাদ সত্ত্বেও তিনি ওড়িশার স্বার্থে ফিরে আসবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পদত্যাগের পেছনে তাঁর এই বিস্ফোরক জবাব রাজ্য তথা কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : BJP HiddenStoriesNews dharmendrapradhan neetcontroversy OdishaPolitics NabinPatnaik

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬


নিট কাণ্ডেই কি তবে বড় সিদ্ধান্ত? শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়ার আসল কারণ জানালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান!

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image
ভুবনেশ্বর: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে প্রবল ছাত্র আন্দোলনের মাঝেই আচমকা গত ২৫ জুলাই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। আন্দোলন থামলেও তাঁর এই আকস্মিক পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘ দিন ধরে নানা প্রশ্ন আর জল্পনা ঘুরপাক খাচ্ছিল। অবশেষে সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে নিজের ইস্তফা দেওয়ার আসল কারণ প্রকাশ্যে আনলেন ওড়িশার প্রবীণ বিজেপি নেতা। ভুবনেশ্বরের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানান, পদ তাঁর কাছে কোনও দিনই গুরুত্বপূর্ণ ছিল না এবং তিনি নিজেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে গিয়ে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।ভুবনেশ্বরের জিএম ইউনিভার্সিটির অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান দাবি করেন, নিট বিতর্কের সময় নতুন প্রজন্মের পড়ুয়া বা ‘জেন-জি’-দের রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। পড়ুয়াদের নিজের সন্তানের মতো উল্লেখ করে তিনি জানান, যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে অসম্মান করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না, বরং পরিস্থিতির সংবেদনশীলতা অনুধাবন করেই তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে ইস্তফা জট কাটলেও তাঁর পিছু ছাড়েনি রাজনৈতিক বিতর্ক। এরপর রাইরাখোলে এবং বিমানবন্দরের কাছে বিজেডি কর্মী-সমর্থকদের তীব্র ক্ষোভ ও 'গো-ব্যাক' স্লোগানের মুখে পড়তে হয় তাঁকে।প্রতিপক্ষের এই বিক্ষোভ ও ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়ে নিজেকে এক সাধারণ ‘কৃষকের ছেলে’ বলে দাবি করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জানান, দীর্ঘ ১২ বছর আগে জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদে তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন এবং পদে থাকা অবস্থায় এমন কোনো কাজ করেননি যা ওড়িশার মানুষের মুখ পুড়াতে পারে। প্রতিপক্ষের হাজারো প্রতিবাদ সত্ত্বেও তিনি ওড়িশার স্বার্থে ফিরে আসবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পদত্যাগের পেছনে তাঁর এই বিস্ফোরক জবাব রাজ্য তথা কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত