Hidden Stories (বাংলা)

আর্কাইভ দেখুন

গুচ্ছের প্রেসক্রিপশন বইবার দিন শেষ! এবার স্রেফ এক ক্লিকেই হাসপাতালের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে রোগীর সব তথ্য, বড় পদক্ষেপ নবান্নের!

গুচ্ছের প্রেসক্রিপশন বইবার দিন শেষ! এবার স্রেফ এক ক্লিকেই হাসপাতালের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে রোগীর সব তথ্য, বড় পদক্ষেপ নবান্নের!

কলকাতা: সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রেসক্রিপশন বা পুরনো রিপোর্ট হারিয়ে ফেলার দিন এবার অতীত হতে চলেছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে এক যুগান্তকারী ডিজিটাল পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্যভবন। ‘অভিষেক নয়, লোকসভার নিয়ম ঠিক করবেন স্পিকার’, কটাক্ষ দিলীপেরএবার থেকে রোগীর প্রেসক্রিপশন থাকবে সরাসরি সরকারের সেন্ট্রাল সার্ভারে, যা হাসপাতালের কম্পিউটারে স্রেফ এক ক্লিকেই দেখে নিতে পারবেন চিকিৎসকরা। নতুন এই ‘প্রেসক্রিপশন অডিট’ সফটওয়্যার নিয়ে ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যভবনে প্রাথমিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল এবং সিউড়ি সদর হাসপাতাল সহ মোট ১০টি হাসপাতালে প্রাথমিকভাবে ট্রায়াল মোডে এই পরিষেবা শুরু হচ্ছে। রাজ্যের পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ মেনে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতেই এই বিশেষ সফটওয়্যার চালু করা হচ্ছে বলে স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর।জনস্বাস্থ্য আধিকারিকদের মতে, এই ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে বিশেষ করে সুন্দরবনের মতো প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের সব সময় চিকিৎসা সংক্রান্ত গুচ্ছের কাগজ নিয়ে ঘোরার ঝক্কি পোহাতে হবে না। প্রতিটি রোগীর জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট ডিজিটাল আইডি, যা বললেই চিকিৎসক জানতে পারবেন রোগী কতদিন ভর্তি ছিলেন বা তাঁকে কী কী অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে। এতে যেমন অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার কমানো যাবে, তেমনই স্পষ্ট হবে প্রেসক্রিপশনের তথ্যও। উল্লেখ্য, বিগত সময়ে বহু ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের অস্পষ্ট হাতের লেখা বা জেনেরিক ওষুধের বদলে ব্র্যান্ড নেম লেখা নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হতো, এই নতুন সফটওয়্যার সেই সমস্যারও স্থায়ী সমাধান করবে। পাশাপাশি হাসপাতালের বেড কতগুলি খালি রয়েছে এবং কতজন রোগী ভর্তি আছেন, তার ওপরেও সরাসরি নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার পথে হেঁটে রাজ্যের এই নতুন প্রয়াস সাধারণ মানুষের হয়রানি অনেকটাই কমাবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


কোথায় কত শূন্যপদ, পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চাইল রাজ্য সরকার; দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার ইঙ্গিত

কোথায় কত শূন্যপদ, পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চাইল রাজ্য সরকার; দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার ইঙ্গিত

রাজ্যে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে বড় পদক্ষেপের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনকল্যাণ শিবিরের মঞ্চ থেকে তিনি জানান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কত শূন্যপদ রয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।সোমবার নন্দীগ্রামে ‘জনকল্যাণ শিবির’ উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘‘সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যত নম্বরের উত্তর লিখবেন, সেই ওএমআর শিট পরীক্ষার্থীরা বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন।” অর্থাৎ ওএমআর শিটে কারচুপি রুখতেই যে তাঁর এহেন সিদ্ধান্ত, তা স্পষ্ট।এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিখিত মূ্ল্যায়নে জোর দিয়ে মৌখিকের নম্বর কমানোর কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী।  মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে কর্মী সংকট রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক কাজকর্মেও প্রভাব পড়ছে। সেই সমস্যা দূর করতেই শূন্যপদ চিহ্নিত করে নিয়োগে জোর দিতে চাইছে সরকার। এর আগে সরকারি চাকরির আবেদনকারীদের জন্য বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার শূন্যপদের হিসাব সংগ্রহ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বার্তায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। রাজ্যে সরকার গঠনের পর থেকেই প্রশাসনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে দুর্নীতির অভিযোগ দূর করার বার্তা দিয়ে আসছে বিজেপি সরকার। সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর একাধিক পদক্ষেপও শুরু করেছেন। গত মাসে শিয়ালদহের একটি রোজগার মেলা থেকে তিনি ঘোষণা করেন, ভবিষ্যতে সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের ওএমআর শিটের কার্বন কপি দেওয়া হবে। তাঁর মতে, পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং স্বজনপোষণ বা দুর্নীতির অভিযোগের অবকাশ কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


দলবদলের পরই তৃণমূলকে নিশানা, দুর্নীতি থেকে দলীয় গণতন্ত্র - একাধিক ইস্যুতে সরব শতাব্দী

দলবদলের পরই তৃণমূলকে নিশানা, দুর্নীতি থেকে দলীয় গণতন্ত্র - একাধিক ইস্যুতে সরব শতাব্দী

তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ শতাব্দী রায় নতুন রাজনৈতিক দল NCPI বা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়াতে যোগ দেওয়ার পর দলের অন্দরের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আনলেন। তাঁর দাবি, দলের ভেতরে বহুদিন ধরেই নানা বিষয় নিয়ে মতামত জানানো হলেও তা গুরুত্ব পায়নি। বরং যাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন বা পরামর্শ দিয়েছেন, তাঁদের বক্তব্যকে উপেক্ষা করা হয়েছে।শতাব্দী রায় বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দল আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারত। পাশাপাশি সাধারণ কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের মতামতেরও যথাযথ মূল্য দেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ, দলের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হয়েছে, যার ফলে অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল।দলবদলের পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন শতাব্দী রায়। তাঁর দাবি, ২০০৯ সাল থেকে দলের কঠিন সময়েও তিনি তৃণমূলের পাশে ছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অসন্তোষ ও অভিযোগের কোনও সমাধান হয়নি। তাঁর কথায়, এত সংখ্যক নেতা-সাংসদ একসঙ্গে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মানেই দলের ভিতরে গভীর সমস্যা ছিল, যা নেতৃত্ব গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি।শুধু তাই নয়, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনযাত্রা ও দলের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শতাব্দী। তাঁর দাবি, বিভিন্ন অনিয়মের কথা নেতৃত্বকে জানানো হলেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, দলের জন্য লড়াই করা বহু নেতা-কর্মীর পাশে নেতৃত্ব শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারেনি।দলবদলের পর শতাব্দী রায় স্পষ্ট করেছেন, তাঁদের লক্ষ্য শুধুমাত্র নতুন রাজনৈতিক সংগঠনকে শক্তিশালী করা। তৃণমূলের প্রতীক বা সংগঠনের উপর কোনও দাবি তাঁরা করছেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভায় তৃণমূলের অন্দরে যে ভাঙন তৈরি হয়েছে, শতাব্দী রায়ের এই মন্তব্য সেই সংকটকেই আরও স্পষ্ট করে তুলল। 


অভিষেকের বাড়িতেই ছিল শেষ লোকেশন! এবার সাংসদের আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা, বাড়ছে অস্বস্তি!

অভিষেকের বাড়িতেই ছিল শেষ লোকেশন! এবার সাংসদের আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা, বাড়ছে অস্বস্তি!

কলকাতা: তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে এবার অত্যন্ত কড়া পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। জমি দুর্নীতি ও আর্থিক প্রতারণা মামলায় তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। শালবনি থানায় দায়ের হওয়া একটি অভিযোগের ভিত্তিতে গত কয়েকদিন ধরেই সুমিতের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। কিন্তু হদিস না মেলায় এবার আইনি পথেই তাঁর নাগাল পেতে চাইছে পুলিশ। উল্লেখ্য, এই সুমিত রায় কেবল অভিষেকের ছায়াসঙ্গীই নন, তাঁরা ছোটবেলার সহপাঠীও ছিলেন। কলকাতার স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত একসঙ্গে পড়াশোনা করার পর অভিষেক দিল্লি গেলেও, সুমিত কলকাতাতেই এমবিএ সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে অভিষেকের বিশ্বস্ত অনুগামী ও আপ্ত সহায়ক হিসেবে কাজ শুরু করেন।তদন্তকারীদের দাবি, গত শনিবার সুমিতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন পরীক্ষা করে দেখা যায় তাঁর শেষ অবস্থান ছিল খোদ অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতেই। সেই সূত্র ধরেই গভীর রাতে পটুয়াপাড়ায় হানা দেয় পুলিশের একটি বিশেষ দল। ডাকাডাকিতে কেউ সাড়া না দেওয়ায় বাইরের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন আধিকারিকরা। তবে দীর্ঘ তল্লাশির পরেও সেখানে সুমিতের দেখা মেলেনি। এদিকে সুমিতের নাম কেবল জমি দুর্নীতিতেই নয়, ২০২২ সালের কয়লা পাচার মামলাতেও উঠে এসেছিল। একদিকে যখন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি-র জেরার মুখোমুখি হচ্ছেন, ঠিক সেই সময়েই তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সুমিতের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবি ও সোমবারের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর আপ্ত সহায়কের এই অন্তর্ধান অভিষেকের ওপর চাপের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।


অবশেষে নামছে স্বস্তির বৃষ্টি, গুমোট গরম উড়িয়ে সোমবারে ভিজবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা!

অবশেষে নামছে স্বস্তির বৃষ্টি, গুমোট গরম উড়িয়ে সোমবারে ভিজবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা!

কলকাতা: চৈত্র, বৈশাখ পেরিয়ে জ্যৈষ্ঠ বিদায় নেওয়ার মুখেও বৃষ্টির দেখা না মেলায় চড়া রোদ আর ভ্যাপসা গরমে রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠছিল দক্ষিণবঙ্গবাসীর। একটুখানি বৃষ্টির জন্য যখন চাতক পাখির মতো চেয়ে রয়েছেন সবাই, ঠিক তখনই রাজ্যবাসীর জন্য এক মস্ত বড় স্বস্তির খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দীর্ঘদিনের হাঁসফাঁস পরিস্থিতি কাটিয়ে সপ্তাহের প্রথম দিন অর্থাৎ সোমবার থেকেই দুই বঙ্গে আবহাওয়ার বিরাট ভোলবদল হতে চলেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ও দক্ষিণ— দুই বঙ্গেই কালবৈশাখী ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দফায় দফায় বৃষ্টির জোরালো পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে বইবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া, যা জমিয়ে রাখা ভ্যাপসা গরমকে নিমেষের মধ্যে উধাও করে পারদ অনেকটাই নামিয়ে দেবে।হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ সপ্তাহের শুরুতেই কম-বেশি ভিজতে পারে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সবকটি জেলাই। এর মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদে বৃষ্টির দাপট সবচেয়ে বেশি থাকবে। এছাড়া পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তিলোত্তমার বুকেও আজ সকাল থেকে চেনা রোদের দাপট ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকলেও, বেলার দিকে বা দুপুরের পর কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে পশলা বৃষ্টি নামতে পারে। অন্যদিকে, দক্ষিণ যখন বৃষ্টির জন্য চাতক দশা, উত্তরবঙ্গে কিন্তু ইতিমধ্যেই বর্ষার দাপট বজায় রয়েছে। সোমবারও তার ব্যতিক্রম হবে না এবং দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারের মতো পাহাড়ি ও ডুয়ার্স সংলগ্ন জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, আজ বিকেল থেকেই মনোরম হতে চলেছে রাজ্যের আবহাওয়া।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


রুটি আর লবণে মোদীকে রাজকীয় বরণ! ৩৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম স্লোভাকিয়ায় পা রাখলেন কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী!

রুটি আর লবণে মোদীকে রাজকীয় বরণ! ৩৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম স্লোভাকিয়ায় পা রাখলেন কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী!

ব্রাতিস্লাভা: আন্তর্জাতিক কূটনীতির আঙিনায় এক নতুন ইতিহাস তৈরি করে ইউরোপ সফরের দ্বিতীয় ধাপে সোমবার স্লোভাকিয়ায় পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৯৯৩ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিলুপ্তির পর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্লোভাকিয়ার আত্মপ্রকাশ ঘটে। তারপর থেকে গত ৩৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সেখানে পা রাখলেন। স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় মোদীর বিমান অবতরণের পর দেশটির ঐতিহ্যবাহী প্রথা মেনে রুটি ও লবণ দিয়ে তাঁকে এক অনন্য ও রাজকীয় অভ্যর্থনা জানান স্লোভাকিয়ার বিদেশমন্ত্রী জুরাজ ব্লানার। এই ঐতিহাসিক সফরের সূচনা ঘটিয়ে সোশাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, এই সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার এক নয়া দিগন্তের উন্মোচন করবে।দুই দিনের এই ঠাসা সফরে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে মোদির হাইপ্রোফাইল দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প, রেল উৎপাদন এবং ডিফেন্স বা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে দুই দেশের যৌথ সহযোগিতাকে আরও মজবুত করা। বিদ্রোহী সাংসদের যোগদানের জল্পনাএর পাশাপাশি স্লোভাকিয়ার প্রথম সারির শিল্পপতিদের সঙ্গেও গোলটেবিল বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।পাশাপাশি কেন্দ্রের তরফে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২০২৫ সালে দেশটিতে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর স্লোভাকিয়া সফরকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  স্লোভাকিয়া সফর শেষ করে আগামী ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী মোদী ফ্রান্সের এভিয়ানে আয়োজিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং ১৮ জুন প্যারিসের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষ করে দেশে ফিরবেন।


সব্যসাচীর ফ্ল্যাটে রাশি রাশি সোনার রসিদ! কোথা থেকে এল এই বিপুল সম্পদ? ম্যারাথন তল্লাশিতে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের!

সব্যসাচীর ফ্ল্যাটে রাশি রাশি সোনার রসিদ! কোথা থেকে এল এই বিপুল সম্পদ? ম্যারাথন তল্লাশিতে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের!

কলকাতা: একসময়ের দাপুটে নেতা, যাঁর অঙ্গুলিহেলনে কাঁপত বিধাননগর-রাজারহাট এলাকা, সেই সব্যসাচী দত্তের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে এবার চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। রবিবার বিকেলে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ যখন রাজারহাটের ১৩ তলার ফ্ল্যাটে ম্যারাথন তল্লাশি চালায়, তখন সেখান থেকে উদ্ধার হয় রাশি রাশি সোনা কেনার রসিদ। আলমারি থেকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সোনার রসিদ বেরোতেই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। প্রশ্ন উঠছে, এক সময়ের বিধায়ক তথা বর্তমান কাউন্সিলরের এই বিপুল সম্পত্তির উৎস ঠিক কী? সল্টলেকের এক ব্যবসায়ীর দায়ের করা তোলাবাজি ও হুমকির অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৯ জুন রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবার সেই মামলার তদন্তে নেমেই সব্যসাচীর সম্পত্তির খতিয়ান দেখে কার্যত হতবাক পুলিশ প্রশাসন।রবিবার বিকেলেই সব্যসাচী দত্তকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বিধাননগর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের অফিস ও সংলগ্ন একটি ক্লাবে হানা দেয় পুলিশ। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজারহাটের সেই বিলাসবহুল আবাসনে, যেখানে তাঁর দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর শুরু হয় তল্লাশি। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া রসিদগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা কেনাবেচার ইঙ্গিত মিলছে, যার বৈধতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০১১ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত তৃণমূলের বিধায়ক থাকাকালীন এলাকায় তাঁর একচ্ছত্র দাপট ছিল। এরপর বিজেপিতে যোগ দিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে সুজিত বসুর কাছে পরাজয় এবং ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন— তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল যথেষ্ট ঘটনাবহুল। তবে এবারের লোকসভা ভোটে বারাসত কেন্দ্রে হারের পর যেন আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন তিনি। রবিবাসরীয় বিকেলে ডিম হামলার শিকার হওয়ার পর এবার সোনার রসিদ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় সব্যসাচী দত্তের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও আইনি জটিলতা যে আরও বাড়ল, তা বলাই বাহুল্য।


সিআইডি-র ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পরেই ইডি দফতরে অভিষেক! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের কেন্দ্রীয় সংস্থার মুখোমুখি সাংসদ!

সিআইডি-র ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পরেই ইডি দফতরে অভিষেক! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের কেন্দ্রীয় সংস্থার মুখোমুখি সাংসদ!

কলকাতা: রবিবার ভবানী ভবনে সিআইডি-র সাড়ে আট ঘণ্টার জেরার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বেলা ১১টা নাগাদ প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ সল্টলেকের ইডি দফতরে পৌঁছে যান। তবে প্রবেশের সময় সংবাদমাধ্যমের সামনে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। উল্লেখ্য, এর আগে যখনই অভিষেক সিজিও কমপ্লেক্সে এসেছেন, তখন গোটা চত্বর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হতো। কিন্তু সোমবারের চিত্রটা ছিল একেবারেই ভিন্ন। সিজিও কমপ্লেক্সে এদিন বাড়তি কোনও পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়নি, এমনকি যাতায়াত নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও কোনও কড়াকড়ি চোখে পড়েনি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ইডি-র স্ক্যানারে রয়েছে অভিষেকের সংস্থা ‘লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ড্‌স’-এর আর্থিক লেনদেন। এর পাশাপাশি সিবিআই-এর চার্জশিটে উল্লিখিত একটি অডিও ক্লিপ, যেখানে চাকরি বিক্রির টাকা জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানোর প্রসঙ্গ উঠেছিল, সেটি নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। এই অডিওর সূত্র ধরেই ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনাও পরীক্ষা করা হয়েছিল। গত রবিবার বিধানসভায় সই জালিয়াতি কাণ্ডে সিআইডি দফতরে কুণাল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়েছিল অভিষেককে। সেই পর্ব মিটতে না মিটতেই কেন্দ্রীয় সংস্থার এই তলব রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও সই জালিয়াতি মামলায় হাই কোর্ট তাঁকে রক্ষাকবচ দিলেও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর কোনও রক্ষাকবচ নেই। মঙ্গলবার ফের সল্টলেকের একটি মামলার প্রেক্ষিতে তাঁকে তলব করেছে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা, ফলে এই সপ্তাহে পর পর কয়েকদিন তদন্তকারী সংস্থাগুলির ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে চলেছেন তৃণমূলের এই শীর্ষ নেতা।


এক ছাদের তলায় সমস্ত সরকারি পরিষেবা! আজ থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘জনকল্যাণ শিবির’, জানুন কোথায় কী সুবিধা পাবেন!

এক ছাদের তলায় সমস্ত সরকারি পরিষেবা! আজ থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘জনকল্যাণ শিবির’, জানুন কোথায় কী সুবিধা পাবেন!

কলকাতা: সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি সুযোগ-সুবিধা আরও সহজে এবং দ্রুততম উপায়ে পৌঁছে দিতে এক বিরাট ও নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল নবান্ন। রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম এত বড় মাপের কোনও জনমুখী কর্মসূচির সূচনা হতে চলেছে। আজ, সোমবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে ৩ দিন ব্যাপী ‘জনকল্যাণ শিবির’। রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিগত তৃণমূল সরকারের ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির আদলেই এই নতুন মেগা উদ্যোগের পরিকল্পনা সাজিয়েছে বর্তমান প্রশাসন। এই শিবিরের মূল লক্ষ্যই হলো, একই ছাদের তলায় রাজ্যের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা এনে দেওয়া, সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং সরাসরি আমজনতার কাছ থেকে নতুন আবেদনপত্র গ্রহণ করা। সোমবার থেকে শুরু হয়ে আগামী বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের প্রতিটি জেলা ও ব্লক স্তরে এই বিশেষ শিবিরগুলির আয়োজন করা হচ্ছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, আর্থিক সহায়তা কিংবা সামাজিক সুরক্ষার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি সুবিধা পাননি বা সঠিক তথ্যের অভাবে বঞ্চিত ছিলেন, তাঁরা সরাসরি এই শিবিরে এসে আবেদন করতে পারবেন। প্রতিটি শিবিরে সংশ্লিষ্ট সমস্ত সরকারি দফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন, যাতে আবেদন গ্রহণ ও প্রাথমিক যাচাইয়ের কাজ অনলাইনেই দ্রুত সম্পন্ন করা যায়। এই শিবিরগুলি থেকে সাধারণ মানুষ ‘আয়ুষ্মান ভারত’ স্বাস্থ্যবিমা, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, জমির রেকর্ড মিউটেশন, পাট্টার আবেদন এবং সিএএ (CAA)-র অধীনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এছাড়া ই-শ্রম, পিএম শ্রম যোগী মানধন, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা, কন্যাশ্রী, পিএম কিসান সম্মান নিধি, কিসান ক্রেডিট কার্ড, জনধন যোজনা, অটল পেনশন এবং পিএম উজ্জ্বলা যোজনার মতো একাধিক জনমুখী প্রকল্পের ফর্ম এখানে জমা নেওয়া হবে। এই মেগা কর্মসূচি সফল করতে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে রয়েছে এবং তদারকির জন্য রবিবারই জেলায় জেলায় পৌঁছে গিয়েছেন সিনিয়র আইএএস আধিকারিকরা।


অভিনেতা রাহুলের রহস্যমৃত্যুতে এবার নড়েচড়ে বসল প্রশাসন! প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পরেই সিআইডি তদন্তের বিরাট নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর!

অভিনেতা রাহুলের রহস্যমৃত্যুতে এবার নড়েচড়ে বসল প্রশাসন! প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পরেই সিআইডি তদন্তের বিরাট নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর!

দিঘা: টলিউড অভিনেতা রাহুল অরুণাদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক ও রহস্যজনক মৃত্যু মামলায় এবার এক মস্ত বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। আড়াই মাস কেটে গেলেও অভিনেতার মৃত্যুকে ঘিরে দানা বাঁধা অজস্র ধোঁয়াশা ও প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পরেই কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দিঘার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন যে, অভিনেতা রাহুলের এই রহস্যমৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার এবার থেকে রাজ্য সিআইডি (CID)-র হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ওড়িশার বালেশ্বরে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছিল এই জনপ্রিয় অভিনেতার। এটি স্রেফ একটি দুর্ঘটনা নাকি শুটিং সেটের চরম গাফিলতি ও অব্যবস্থা— তা নিয়ে ইতিমধ্যেই টলিপাড়ার একাংশ ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল এবং রাস্তায় নেমে প্রতিবাদও জানিয়েছিল। এবার এই হাইপ্রোফাইল মামলার জট খুলতেই নামানো হচ্ছে সিআইডি-কে।দিঘার ওই প্রশাসনিক বৈঠক থেকে এই বড় ঘোষণার পাশাপাশি দিঘা ও তার আশেপাশের এলাকার সরকারি হাসপাতালগুলির কঙ্কালসার চেহারা নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। বিগত সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন যে, গত দুই বছরে কোনও কাজই হয়নি, হাসপাতালে ন্যূনতম আইসিইউ বেড, ব্লাড ব্যাঙ্ক কিংবা ময়নাতদন্তের উপযুক্ত পরিকাঠামো পর্যন্ত নেই। রাহুলের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ওড়িশা সরকার ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় সিট (SIT) গঠন করেছে। আর এ রাজ্যে অভিনেতার পরিবারের করা অভিযোগের ভিত্তিতে যে ‘ইউডি’ বা অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছিল, তা অবিলম্বে সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়ার জন্য তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে দিঘার বিশাল সমুদ্র সৈকতে নুলিয়াদের সংখ্যা বাড়ানো এবং তাদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি করার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নজরদারির পর এবার সিআইডি-র আগমনে রাহুলের মৃত্যুরহস্যের পর্দাফাঁস হয় কিনা, এখন সেটাই দেখার।


মমতা এখনও আমার মা দুর্গা! দল ছাড়লেও অভিষেকের পাশে দাঁড়িয়ে এ কী বললেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়? তোলপাড় রাজনীতি!

মমতা এখনও আমার মা দুর্গা! দল ছাড়লেও অভিষেকের পাশে দাঁড়িয়ে এ কী বললেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়? তোলপাড় রাজনীতি!

কলকাতা ও নয়াদিল্লি: বাংলার রাজনীতিতে এক বিশাল রদবদল ঘটিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দিয়েছেন নতুন দল ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া’-তে। রবিবার নয়াদিল্লিতে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের এই নতুন রাজনৈতিক মঞ্চে শামিল হওয়ার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দল ছাড়লেও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা যে বিন্দুমাত্র কমেনি, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন কলকাতা উত্তরের এই হেভিওয়েট সাংসদ। তিনি আবেগঘন কণ্ঠে জানান যে, নির্বাচনের সময় যাকে তিনি ‘মা দুর্গা’ বলে সম্বোধন করেছেন, দল বদলানোর পর রাতারাতি তাঁকে ‘মহিষাসুর’ বলা তাঁর পক্ষে অসম্ভব। মমতাকে উপদেষ্টা হিসেবে পাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেই যে বিক্ষুব্ধ সাংসদেরা এই নতুন পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা তিনি পরিষ্কার করে দেন। তবে তাঁর স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও চৌরঙ্গীর তৃণমূল বিধায়ক পদে থাকায়, দলে কোনও বার্তা পাঠানোর থাকলে তিনি স্ত্রীর মাধ্যমেই পাঠাবেন বলে কিছুটা রসিকতার সুরেই জানান সুদীপ।এদিকে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের চরম ভরাডুবির পর দলের অন্দরেই যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, ঠিক তখনই এক ভিন্ন সুর শোনা গেল সুদীপের গলায়। অনেকেই যেখানে এই পরাজয়ের জন্য একমাত্র অভিষেককে দায়ী করছেন, সেখানে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানান যে, তিনি এই তত্ত্ব মানেন না। তাঁর মতে, একজন মানুষের পক্ষে একার চেষ্টায় এত বড় একটা দলকে শেষ করে দেওয়া সম্ভব নয়। হারের পেছনে মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবং পরিবর্তনের তীব্র ইচ্ছাই মূল কারণ ছিল। এর পাশাপাশি ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-কে নিয়েও অত্যন্ত বিস্ফোরক দাবি করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের শেষ লগ্নে এসে তৃণমূলের হয়ে কাজ করাই বন্ধ করে দিয়েছিল আইপ্যাক। একসময় লোকসভায় তৃণমূলের ৩৪ জন সাংসদের দল পরিচালনা করা এই নেতা নিজের বয়স এবং দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে জানান, ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটানো দলটির এই পরিণতি তিনি চাননি, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাস বলে ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর কোনও দলের পক্ষে চটজলদি ঘুরে দাঁড়ানো অত্যন্ত কঠিন।


দীঘায় গিয়ে আর পকেট খালি হবে না! মুখ্যমন্ত্রীর এক ঘোষণাতেই খুশির হাওয়া পর্যটকদের মধ্যে, বদলে যাচ্ছে মেরিন ড্রাইভের ভাগ্য!

দীঘায় গিয়ে আর পকেট খালি হবে না! মুখ্যমন্ত্রীর এক ঘোষণাতেই খুশির হাওয়া পর্যটকদের মধ্যে, বদলে যাচ্ছে মেরিন ড্রাইভের ভাগ্য!

দীঘা: ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এবার সবচেয়ে বড় সুখবর নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উইকএন্ড পেলেই যাঁদের মন দীঘার সমুদ্র সৈকতের দিকে ছুটে যায়, তাঁদের জন্য এক বিরাট স্বস্তির ঘোষণা করা হয়েছে। দীঘায় বেড়াতে গেলে এবার থেকে আর পকেট থেকে বাড়তি কোনও টাকা বা চাঁদা দিতে হবে না পর্যটকদের। এতদিন ধরে হোটেলের বিলের সঙ্গে যে অতিরিক্ত ১০ টাকা করে নেওয়া হতো, আগামী ১ জুলাই থেকে তা পুরোপুরি বন্ধ হতে চলেছে। দীঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, পর্যটকদের থেকে এভাবে হাত পেতে টাকা নেওয়া সরকারের রুচি-বিরোধী। বিগত সরকারের আমলের এই নিয়মকে অত্যন্ত আপত্তিকর বলে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট জানান যে, বছরে ৩০ লক্ষ টাকার এই বাড়তি কর আদায়ে বিস্তর গরমিলও রয়েছে। কারণ দীঘায় বছরে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ পর্যটক আসেন, ফলে এই হিসেবের মধ্যেও ফাঁকি রয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।শুধু চাঁদা বন্ধ করাই নয়, দীঘাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার। খুব শীঘ্রই সম্পূর্ণ ভোল বদলে যেতে চলেছে দীঘার বিখ্যাত মেরিন ড্রাইভের। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমান মেরিন ড্রাইভটিকে চেন্নাই বা মুম্বইয়ের মতো বিশ্বমানের করে গড়ে তোলা হবে। এই উদ্দেশ্যে দীঘা থেকে পেটুয়া পর্যন্ত উপকূল এলাকাকে যুক্ত করে মেরিন ড্রাইভের সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া তাজপুরের দাদনপাত্রবাড়ে একটি গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি করার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের, যার জন্য ইতিমধ্যেই ১৭০০ একর জমি হাতে রয়েছে। এই বন্দর তৈরি হলে গোটা এলাকার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো আমূল বদলে যাবে বলে আশাবাদী প্রশাসন। একই সঙ্গে দীঘার রেল ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের ওপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, এবার দীঘা ভ্রমণ যেমন সস্তা হতে চলেছে, তেমনই পর্যটকরা পেতে চলেছেন এক সম্পূর্ণ নতুন ও ঝাঁ-চকচকে সমুদ্র সৈকতের অভিজ্ঞতা।হিডেন স্টোরিজ নিউজ


দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার