মহানায়কের প্রয়াণ দিবসেই বিরাট ধামাকা! শহরে আসছে নতুন ফিল্ম সেন্টার, ঘোষণা শুভেন্দুর
কলকাতা: চার দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাঙালির আবেগ ও হৃদস্পন্দনে মহানায়ক উত্তম কুমার আজও অনন্য ও অদ্বিতীয়। শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬-এ মহানায়কের ৪৭তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ ও ভাবগম্ভীর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল। এদিন নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনেই বেলা বারোটার আগেই কেওড়াতলা মহাশ্মশানে সশরীরে উপস্থিত হন বিরোধী দলনেতা তথা প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে পৌঁছানোর পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি মহানায়কের একটি নতুন আবক্ষ মূর্তির আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেন এবং গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তির সঙ্গে মূর্তিতে মাল্যদান করেন। প্রয়াণ দিবসের এই পবিত্র মুহূর্তে কেওড়াতলা মহাশ্মশান চত্বরে উপস্থিত ছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষের মতো বিশিষ্ট গেরুয়া শিবিরের তারকারা। এছাড়াও বাংলা চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, মহানায়কের নাতনি নবনীতা চট্টোপাধ্যায় সহ শিল্প ও সংস্কৃতি জগতের বহু গুণী ব্যক্তিত্ব এই স্মরণসভায় অংশ নেন এবং সুরের মূর্ছনায় মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানান।[TECHTARANGA-POST:11225]কেওড়াতলা মহাশ্মশানের এই মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চ থেকেই মহানায়কের জন্মদিন পালনের এক সুদূরপ্রসারী ও বিরাট পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রয়াণ দিবসের আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি জন্মদিনে বেশ কিছু ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর উত্তম কুমারের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একটানা চার দিনব্যাপী মহানায়কের শতবর্ষ পালনের জমজমাট আয়োজন করা হচ্ছে। এই বিশাল মহোৎসব সফল করতে তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে রবীন্দ্রসদনে একটি বিশেষ প্রস্তুতি কমিটি গঠন করবেন বলেও জানিয়েছেন। সেই নির্ধারিত কমিটির সুনির্দিষ্ট নির্দেশ ও রূপরেখা অনুযায়ীই সমস্ত অনুষ্ঠান ও উৎসবের ব্যবস্থা পরিচালিত হবে।[TECHTARANGA-POST:11224]শুধু শতবর্ষ পালনেই শেষ নয়, মহানায়কের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে এবং বাংলার উদীয়মান শিল্পীদের কাজের সুযোগ করে দিতে রাজধানী শহরে একটি অত্যাধুনিক ফিল্ম সেন্টার নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, কলকাতা পৌরসভা পরিচালিত ঐতিহ্যবাহী ‘উত্তম মঞ্চ’-এর পরিকাঠামো আরও উন্নত করতে সেটির আধুনিকীকরণের ঐতিহাসিক ঘোষণাটিও এদিন তিনি প্রকাশ্যে এনেছেন। অন্তরের অন্তস্থল থেকে বাংলার চিরকালের মহানায়ক উত্তম কুমারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে আরও অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়েই এদিনের এই বিশেষ কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।https://www.youtube.com/shorts/hvLBlCuX-A8https://www.facebook.com/reel/2274508839753928