মৃত্যুমিছিলের পর বড় পদক্ষেপ, রাজ্যে তৈরি হবে নতুন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী
তারাতলার নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর রাজ্য জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। মৃত্যুমিছিল ও ধ্বংসস্তূপের দৃশ্য নাড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসনকে। বুধবার দুপুর থেকে লাগাতার উদ্ধারকাজ চললেও এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজে চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতা।[TECHTARANGA-POST:10288]এই ঘটনার পরই বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বিধানসভায় ঘোষণা করা হলো, দ্রুত উদ্ধার ও বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য গঠন করা হবে একটি বিশেষ রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানান, ভবিষ্যতে তারাতলার মতো কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে যাতে এক মুহূর্তও দেরি না করে উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়, সেই লক্ষ্যেই এই নতুন বাহিনী গড়া হচ্ছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, মোট ২০০ জনের একটি বিশেষ প্রশিক্ষিত টিম তৈরি করা হবে। এই টিমকে আধুনিক উদ্ধারকাজ ও জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হবে। পাশাপাশি রাজ্যের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য মাথায় রেখে আলাদা ইউনিট গঠনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।মাত্র ৫ দিনেই জাদুকরী অসাধ্য সাধন ভারতীয় সেনার! পাহাড়ি এলাকার জন্য ৫০ জনের পৃথক দল তৈরি হবে, যারা দুর্গম পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ চালাবে। সুন্দরবন অঞ্চলেও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ৫০ জনের বিশেষ ইউনিট থাকবে। এছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ১০০ জনের একটি বিস্তৃত রেসকিউ নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে থাকবে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানোই এই নতুন ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য। দুর্যোগের মুহূর্তে সময় নষ্ট না করে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:10246]একইসঙ্গে বিধানসভায় স্টেট এইডেড কলেজের শিক্ষকদের জন্য মাসিক ২০০০ টাকা বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে। ভোকেশনাল শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও একই পরিমাণ বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হবে। অর্থমন্ত্রী জানান, “এ বার যাঁদের বেতন বাড়াতে পারিনি। তাঁদের দাবি অন্যায্য নয়। আগামী মার্চে সেগুলিও বিবেচনা করা হবে।”