Hidden Stories (বাংলা)

কমিশনের আশ্বাসই সার, ভোটাধিকার হারিয়ে আতঙ্কে সোনাগাছির ১৫০ যৌনকর্মী!

কলকাতা: দীর্ঘ লড়াইয়ের পর পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার কি তবে হাতছাড়া হতে চলেছে? বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এই প্রশ্নই এখন তাড়া করে বেড়াচ্ছে এশিয়ার বৃহত্তম যৌনপল্লি সোনাগাছির দেড়শোরও বেশি বাসিন্দাকে। খোদ মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের দেওয়া আশ্বাসের পরও ভোটারতালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় গভীর উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে উত্তর কলকাতার এই পল্লিতে।[TECHTARANGA-POST:8478]উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুর এলাকার অন্তর্গত সোনাগাছি এলাকায় সাত হাজারের বেশি মানুষের বাস। যার মধ্যে প্রায় ২,১০০ যৌনকর্মীর এনিউমারেশন ফর্ম পূরণ নিয়ে প্রথম থেকেই সমস্যা তৈরি হয়েছিল। এই নিয়ে ‘দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটি’ সহ একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কমিশনের দ্বারস্থ হয়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোনাগাছিতে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করেছিলেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, উপযুক্ত নথি থাকলে প্রয়োজনে কমিশন ‘বিশেষ ক্ষমতা’ প্রয়োগ করে নাম তুলবে। কিন্তু, তালিকা প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, প্রায় ১৫০ জন যৌনকর্মী ভোটাধিকার হারিয়েছেন![TECHTARANGA-POST:8478]দুর্বার-এর সম্পাদক বিশাখা লস্কর এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দাবি, “নথিপত্র জমা দিয়ে হিয়ারিংয়ে যাওয়ার পরও অনেকের নাম ওঠেনি। এমনও অদ্ভূত ঘটনা ঘটেছে যেখানে সন্তানের নাম তালিকায় আছে অথচ মায়ের নাম নেই!” দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অর্জিত এই অধিকার হারানোয় তাঁরা যে চূড়ান্ত হতাশ, সে কথা জানাতেও ভোলেননি বিশাখা।[TECHTARANGA-POST:8479]উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে এসআইআর বা ভোটারতালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ির জেরে এই জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সোনাগাছির পাশাপাশি কালীঘাট ও খিদিরপুরের কিছু যৌনকর্মীর নামও তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই নিয়ে এখন ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করছে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলি। ভোটের আগের দিন ভোটাধিকার হারানো এই যৌনকর্মীদের ভবিষ্যৎ এখন বড়সড় অনিশ্চয়তার মুখে।

কমিশনের আশ্বাসই সার, ভোটাধিকার হারিয়ে আতঙ্কে সোনাগাছির ১৫০ যৌনকর্মী!

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার