মহিলা সংরক্ষণ বিল কার্যকর করার পথে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে মোদী সরকার। আর এই প্রক্রিয়া ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে দানা বেঁধেছে আসন পুনর্বিন্যাস বা ‘ডিলিমিটেশন’ বিতর্ক। তবে লোকসভায় এই ইস্যুতে সকল রাজ্যকে আশ্বস্ত করেছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আসন পুনর্বিন্যাসের ফলে কোনও রাজ্যেরই সংসদীয় প্রতিনিধিত্বের হার কমবে না। বর্তমানে লোকসভায় প্রতিটি রাজ্যের যে শক্তি বা গুরুত্ব রয়েছে, ডিলিমিটেশনের পরেও তা একই থাকবে।[TECHTARANGA-POST:8052]২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এই লক্ষ্যপূরণেই লোকসভায় সংবিধানের ১৩১-তম সংশোধনী বিল, আসন পুনর্বিন্যাস বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল পেশ করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী মেঘওয়াল জানান, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী লোকসভার মোট আসন সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৫০ হতে পারে। আর তেমনটা হলে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৭২টি।[TECHTARANGA-POST:8044]তবে সরকারের এই যুক্তিতে পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারছে না বিরোধী পক্ষ। বিরোধীদের মূল আশঙ্কা হলো, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের ওপর ভিত্তি করে আসন পুনর্বিন্যাস হলে উত্তর ভারতের হিন্দি বলয়ের রাজ্যগুলোই বেশি লাভবান হবে। তাদের দাবি, এতে দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর রাজনৈতিক প্রভাব তুলনামূলকভাবে কমে যেতে পারে।[TECHTARANGA-POST:8025] উদাহরণস্বরূপ, উত্তরপ্রদেশের লোকসভা আসন সংখ্যা ৮০ থেকে বেড়ে ১২০ হলে তাদের যে প্রভাব বাড়বে, কেরালা বা অন্যান্য দক্ষিণী রাজ্যের আসন সামান্য বাড়লেও তারা আনুপাতিক হারে পিছিয়ে পড়বে। বিরোধীদের মতে, সমশক্তি বজায় রাখার দাবিটি আদতে একটি ধোঁয়াশা। এখন দেখার, ডিলিমিটেশনের এই জটিল সমীকরণ সমাধান করে কেন্দ্র কীভাবে সব রাজ্যের স্বার্থ রক্ষা করে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার