মধ্যরাতেই কেন আবির্ভাব কৃষ্ণের? রইল অজানা কাহিনী
ঘড়ির কাঁটায় যখন মধ্যরাত ঠিক সেই মুহূর্তেরই অপেক্ষায় থাকেন হাজার হাজার ভক্ত? জানেন কেন? কারণ বিশ্বাস, ঠিক এই সময়েই কারাগারের অন্ধকারে জন্ম নিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ।আগামী ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার পালিত হবে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী। হিন্দু ধর্মে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিকে এই উৎসবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তাই জন্মাষ্টমীর রাত মানেই শুধু উৎসব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু বছরের ধর্মীয় বিশ্বাস, রীতি আর আবেগ। জন্মাষ্টমীর এই পুণ্যতিথিতে অসংখ্য ভক্তরা নিষ্ঠাভরে বিভিন্ন আচার বিধি মেনে পুজো করেন। যার মধ্যে নির্জলা উপবাস অন্যতম। কিন্তু জানেন কি, এই দিনে শুধু উপবাস করলেই হয় না? কীভাবে করবেন পুজো, কী খাবেন, আর কখন ভাঙবেন উপবাস? জন্মাষ্টমীর আগে জেনে নিন সেই গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলো। [TECHTARANGA-POST:12153]পুরাণ অনুযায়ী, দ্বাপর যুগে যখন পৃথিবীতে অধর্ম ও অত্যাচার বেড়ে গিয়েছিল, তখন অত্যাচারী রাজা কংসের হাত থেকে মানুষকে মুক্ত করতে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়। মথুরার কারাগারে দেবকী ও বাসুদেবের ঘরে মধ্যরাতে তাঁর জন্ম হয়েছিল। তাই প্রতি বছর জন্মাষ্টমীতে রাত ১২টার সময় বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়।[TECHTARANGA-POST:12143]জন্মাষ্টমী কেন গুরুত্বপূর্ণ? জন্মাষ্টমী শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, ভক্তদের কাছে এটি সত্য ও ধর্মের জয়ের প্রতীক। এই দিনে শ্রীকৃষ্ণের শিশুরূপ, অর্থাৎ লাড্ডু গোপালের পুজো করা হয়। বিশ্বাস, ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করলে সংসারে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে।কীভাবে পালন করবেন?জন্মাষ্টমীর দিন অনেকেই সকাল থেকে উপবাস রাখেন। কেউ নির্জলা উপবাস করেন, আবার কেউ ফলাহার করেন। রাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় অর্থাৎ মধ্যরাতে পুজো করা হয়। প্রথমে কৃষ্ণের মূর্তিকে পঞ্চামৃত ও গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করিয়ে নতুন পোশাক পরানো হয়। এরপর মাখন, মিষ্টি ও অন্যান্য ভোগ নিবেদন করে আরতি করা হয়।অনেকের বিশ্বাস, এই দিনে মন থেকে কৃষ্ণের নাম স্মরণ ও পুজো করলে জীবনের অশান্তি দূর হয় এবং ঘরে আসে সুখ-শান্তি।