কলকাতা: বছরের পর বছর ধরে পরিকাঠামো তৈরি থাকলেও স্রেফ কর্মীর অভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ক্রেশ (Creche)। এই পরিস্থিতিতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজ্য সরকারকে কড়া নির্দেশ দিল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। সাফ জানানো হয়েছে, কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া আর ঝুলিয়ে রাখা যাবে না। দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করে কর্মরতা মায়েদের সুবিধার্থে এই ক্রেশ চালু করতে হবে।[TECHTARANGA-POST:7281]বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, রাজ্য সরকার যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়োগ করতে না পারে, তবে নিয়োগের জন্য বরাদ্দ অর্থ আদালত প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট নিজেই প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়োগ করে ক্রেশটি সচল করার ব্যবস্থা করে নেবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ছোট সন্তানদের বাড়িতে রেখে বা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে মায়েরা যাতে কাজ না করেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি।ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ক্রেশটি সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য যে কর্মীদের দ্রুত নিয়োগ করতে হবে, তাঁরা হলেন - একজন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার, একজন নার্স, দু'জন আয়া এবং একজন নিরাপত্তাকর্মী। এই মামলার শুনানিতে উঠে আসে, হাইকোর্টের ক্রেশটির জন্য ইতিপূর্বে দু'জন চিকিৎসক নিয়োগ করা হলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে তাঁরা কাজ শুরুই করতে পারেননি। একইসঙ্গে, পর্যাপ্ত নার্স, আয়া ও নিরাপত্তাকর্মীর অভাবই এই পরিষেবা চালুর পথে মূল অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আদালতের এই কড়া বার্তার পর রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ করে, তা দেখার অপেক্ষায় আইনজীবী ও আদালত-কর্মীরা। আগামী ২৫ মার্চ দুপুর দু'টোয় এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার