Durga Puja2026:পুজোর হোর্ডিংয়ে পুরসভার অনুমতি বাধ্যতামূলক! নিয়ম না মানলে অপেক্ষা করছে চরম বিপদ
কলকাতা: শারদোৎসবের মরশুমে শহরের অলিগলি থেকে মূল রাস্তা— সর্বত্রই বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং, ব্যানার ও ফ্লেক্সের দাপট দেখা যায়। তবে এই বছর যত্রতত্র বিজ্ঞাপনের বাড়বাড়ন্ত রুখতে এবং শহরকে সৌন্দর্যায়ন ও সুরক্ষার মোড়কে রাখতে নজিরবিহীন কড়াকড়ির পথে হাঁটল কলকাতা পুরসভা। এবার থেকে দুর্গাপুজোয় শহরের রাস্তায় কোনও হোর্ডিং বা ব্যানার বসাতে হলে কলকাতা পুরসভার লিখিত সম্মতিপত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুরসভার ইতিহাসেই প্রথমবার পুজো উদ্যোক্তা ও বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য এমন একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশিকা এবং শর্তাবলী জারি করা হলো।পুরসভা সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিজ্ঞাপনী ছাড়পত্রের জন্য পুরসভার বিশেষ বিজ্ঞাপন দফতরে লিখিত আবেদন জানাতে হবে। আবেদনের নির্দিষ্ট সময়সীমা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ধার্য করা হয়েছে। পাশাপাশি, উৎসবের দিনগুলিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজ্ঞাপনের তারিখও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৩ অক্টোবরের আগে শহরের কোথাও কোনও নতুন হোর্ডিং বা ফ্লেক্স ঝোলানো যাবে না। আবার পুজো শেষ হওয়ার পর ২৯ অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত ব্যানার, ফ্লেক্স ও কাঠের কাঠামো সম্পূর্ণ স্বউদ্যোগে খুলে ফেলতে হবে।[TECHTARANGA-POST:12738]প্রতি বছর পুজো মেটার পরও মাসাধিককাল ধরে বাঁশের কাঠামো সমেত পরিত্যক্ত ব্যানার রাস্তায় পড়ে থাকত, যার ফলে যানচলাচল ও পথচারীদের যাতায়াতে চরম বিপত্তি ঘটত। সেই সমস্যা রুখতে এবার বিজ্ঞাপনী গেটের সর্বোচ্চ উচ্চতা ২২ ফুট বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাত্রী ছাউনি, রাস্তার ট্রাফিক আলো বা ট্রাফিক সংকেত আড়াল করে কোনও ব্যানার বসানো যাবে না। আবেদনে ব্যানারের সঠিক মাপ উল্লেখ করার পাশাপাশি প্রতিটি অনুমোদিত হোর্ডিংয়ে পুরসভার পারমিশন আইডি, সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটির নাম এবং বিজ্ঞাপনদাতার ফোন নম্বর স্পষ্টভাবে লিখে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নিয়মগুলির সামান্যতম ব্যত্যয় ঘটলে কিংবা অনুমতি ছাড়া হোর্ডিং বসালে পুরসভা অবিলম্বে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছে।