Brazil In Kolkata: কলকাতাতে 'মাছে-ভাতে' মজেছেন ভিনিসিয়াসরা! কিন্তু স্থানীয় রান্নায় কেন 'না' পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের?
কলকাতা: তিলোত্তমা কলকাতায় এখন চরম সাম্বা উন্মাদনা! উপলক্ষ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ব্রাজিলের ফ্রেন্ডলি ম্যাচ। তবে কেবল মাঠের ফুটবল নয়, কলকাতাবাসীর সঙ্গে ব্রাজিলিয়ান তারকাদের মিল খুঁজে পাওয়া গেল আরও এক রসনা বিলাসে—তা হলো বাঙালি ও ব্রাজিলের চিরন্তন প্রিয় 'মাছ-ভাত'। কলকাতায় এসে রীতিমতো 'মাছে-ভাতে' মেতে উঠেছেন ভিনিসিয়াস-গ্যাব্রিয়েলরা। তবে তিলোত্তমার বুথে এসে বাঙালি স্বাদের মাছের প্রতি অনুরাগী হলেও তাতে রয়েছে এক প্রকাণ্ড টুইস্ট। সর্ষে ইলিশ কিংবা চিংড়ির মালাইকারি জাতীয় স্থানীয় পদের নাম মুখে শুনলেও, তারকা ফুটবলারদের পাতে ঠাঁই পাচ্ছে না কোনো ভারতীয় রান্না।মাছের শহর কলকাতায় ব্রাজিলিয়ান তারকাদের জন্য রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বাঙালি পদসহ একাধিক সুস্বাদু ভারতীয় খাবারের জমকালো আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু ফিটনেস ও নিরাপত্তার খাতিরে সেই খাবারে হাতই ছোঁয়াচ্ছেন না ফুটবলাররা। ভিনিসিয়াসদের ডায়েট সামলাতে ব্রাজিল থেকে উড়ে এসেছেন দলের নিজস্ব শেফ ও পুষ্টিবিদরা। কলকাতার বাজার থেকে টাটকা সামুদ্রিক মাছ সংগ্রহ করা হলেও তা রান্না হচ্ছে অলিভ অয়েল ও মাপা ক্যালোরির কড়া নিয়মে। দেশি তেল-মশলা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে মাছের প্রোটিন ও আসল স্বাদ বজায় রেখে তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ পদ।[TECHTARANGA-POST:13250]ফিটনেস ধরে রাখতে দিনে অন্তত পাঁচবার পাত পেড়ে খাবার খাচ্ছেন সেলেসাও তারকারা। ডায়েট চার্ট অনুযায়ী মধ্যাহ্নভোজ ও নৈশভোজে মাছের পাশাপাশি থাকছে ভাত, স্প্যাগেটি, বেকড বিনস, চিকেন, রেড মিট, সেদ্ধ আলু ও প্রচুর পরিমাণের তাজা স্যালাড। সকালের প্রাতরাশে পরিবেশন করা হচ্ছে সেদ্ধ ডিম, তাজা ফল ও ড্রাই ফ্রুটস। এমনকি পানীয় জলের ক্ষেত্রেও কোনো ঝুঁকি নিচ্ছে না ব্রাজিল ম্যানেজমেন্ট। শহরের সাধারণ জল তো দূর, জল সরবরাহ করা হচ্ছে বিদেশ থেকে আনা বিশেষ ব্র্যান্ডের ওয়াটার বোতল থেকে।খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি সকালে নিয়ম করে হালকা জিম সেশন সেরেছেন ফুটবলাররা। মাঠের বাইরে পুষ্টিবিদদের কড়া নজরদারি এবং চরম নিয়মানুবর্তিতাই প্রমাণ করে দিচ্ছে, প্রীতি ম্যাচ হলেও কতটা গুরুত্ব দিয়ে তৈরি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এখন কেবল অপেক্ষা একটাই—মাছে-ভাতে পুষ্ট সেলেসাও ব্রিগেড যুবভারতীর সবুজ গালিচায় নিজেদের সাম্বা ম্যাজিক কতটা ফুটিয়ে তুলতে পারে!