৭.২-এর পর ৭.৫! এক মিনিটে জোড়া ভূমিকম্পে মৃত্যু মিছিল, ধ্বংসস্তূপে ভেনেজুয়েলা
ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা। মাত্র এক মিনিটের ব্যবধানে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে দেশের একাধিক অঞ্চল কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলবর্তী বন্দর শহর লা গুয়াইরা।[TECHTARANGA-POST:10283]সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহতের সংখ্যা ৯৭১ ছাড়িয়েছে। তবে উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় হতাহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.২। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় ৭.৫ মাত্রার কম্পন আঘাত হানে। এরপর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।[TECHTARANGA-POST:10252]পুলিশ নয়, খুদেদের প্রিয় 'চিন্ময় দা'! বড়ঞায় মানবিকতার অনন্য নজিরভূমিকম্পের জেরে বহু বহুতল, বাড়িঘর এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। রাজধানীর মেট্রো পরিষেবাও বন্ধ। বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রশাসন ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। [TECHTARANGA-POST:10232]বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেনেজুয়েলা এমন একটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে বড় ধরনের কম্পনের ঝুঁকি সবসময়ই থাকে। তবে সাম্প্রতিক এই বিপর্যয়কে গত একশো বছরের অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে একাধিক দেশ। একইসঙ্গে আশঙ্কা করা হচ্ছে, চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব সামনে এলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।