পুলিশ হেফাজতে যুবকের মৃত্যু! শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন, ‘পিটিয়ে খুন’-এর অভিযোগ পরিবারের
তোলাবাজি ও মারামারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল যুবক। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এল তাঁর মৃত্যুর খবর। পুলিশি হেফাজতে ছিল কাঁচরাপাড়ার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিরজু কুমার। এবার সেখানে থাকাকালীন কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। তবে পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতেই তাঁকে মারধর করে খুন করা হয়েছে। [TECHTARANGA-POST:11520]জানা গিয়েছে, তোলাবাজি ও মারামারির অভিযোগে শুক্রবার রাতে বিরজু কুমারকে গ্রেপ্তার করে হালিশহর থানার পুলিশ। পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষাও হয়। সন্ধ্যায় জেলে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন স্ত্রী। সেই সময় তিনি সুস্থই ছিলেন বলে পরিবারের দাবি। কিন্তু রাত পেরোতেই পরিস্থিতি বদলে যায়। শুক্রবার ভোররাতে হালিশহর থানার লকআপে অসুস্থ অবস্থায় বিরজুকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর তাঁকে কল্যাণীর জহরলাল নেহেরু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। যুবকের শরীরের একাধিক জায়গায়, বিশেষ করে হাত ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে বিরজুর দেহ রেখে চলে যায় পুলিশ। পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।[TECHTARANGA-POST:11517]পরিবারের আরও দাবি, বিরজু কেওয়ার তৃণমূল কর্মী ছিলেন। রাজনৈতিক কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তাঁদের। যদিও পুলিশ সূত্রে দাবি, তোলাবাজি ও মারামারির একটি ঘটনায় বিরজুর খোঁজ চলছিল। পরিবারের পাল্টা দাবি, ওই অভিযোগে তিনি নির্দোষ ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর সন্ধ্যায় সুস্থ থাকা যুবকের রাতের মধ্যেই কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়েই এখন ধোঁয়াশা। পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় তাঁর মৃত্যু এবং শরীরে আঘাতের চিহ্নের অভিযোগ ঘিরে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে পরিবার।