বেঙ্গালুরু: খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তা বলয় ভেঙে অন্দরে ঢুকে পড়ল মৃত্যুর পরোয়ানা! মোদীর কনভয় যাওয়ার রুটেই আচমকা উদ্ধার হল ভয়ংকর বিস্ফোরক সামগ্রী জিলেটিন স্টিক। এই চরম ও নজিরবিহীন নিরাপত্তার গাফিলতির ঘটনায় এবার নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। বেঙ্গালুরুর পুলিশ সুপারের তরফে ইতিমধ্যেই একযোগে ৬ জন পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বরখাস্তের নির্দেশ জারি থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের সুরক্ষায় এমন মারাত্মক ফাঁক কীভাবে তৈরি হলো, তা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:9451]ঘটনার সূত্রপাত গত ১০ মে। বেঙ্গালুরুর 'আর্ট অফ লিভিং' সেন্টারে একটি হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর কিছু সময় আগেই পুলিশের কাছে আসে একটি বেনামী ও সন্দেহজনক ফোনকল। সেই ফোনের সূত্র ধরেই তড়িঘড়ি কাগ্গালিপুরা এলাকার থাথাগুনির কাছে চিরুনি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। আর তখনই রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয় দুটি তাজা জিলেটিন স্টিক। শিউরে ওঠার মতো তথ্য হলো, যেখান থেকে এই বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে, সেখান থেকে মোদীর অনুষ্ঠানস্থল ছিল মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে। এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়।[TECHTARANGA-POST:9450]প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় এমন ভয়ংকর গাফিলতির খবর সামনে আসতেই কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারকে তীব্র আক্রমণে বিঁধেছে বিজেপি। রাজ্যের বিজেপি সভাপতি তথা বিধায়ক বি ওয়াই বিজয়েন্দ্র এই ঘটনাকে ‘ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ’ বলে তোপ দেগেছেন। সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি দাবি করেন যে, কর্নাটকে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় সামান্যতম খামতিও মেনে নেওয়া যায় না, সেখানে এই ঘটনা কীভাবে ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দোষীদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। তবে এই বিস্ফোরক সেখানে কীভাবে এলো এবং এর পেছনে বড় কোনো নাশকতার ছক ছিল কি না, তা জানতে তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার