‘সোজা করা আমাদের জানা!’ বারুইপুর কাণ্ডে বিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলীপের
বারুইপুর: নিজের চেনা মেজাজেই ধরা দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ শানালেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরে এই ঘটনা নিয়ে বাম ও তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলির লাগাতার আন্দোলন ও প্রতিবাদকে সরাসরি ‘নাটক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন দিলীপ। সাফ জানিয়েছেন, এসব আসলে শিরোনামে থাকার এবং সস্তার রাজনীতি করার কৌশল মাত্র। একই সঙ্গে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “কাকে কীভাবে সোজা করতে হয় জানা আছে। বিজেপি ওসব খুব ভালো করেই জানে।”[TECHTARANGA-POST:10691]বারুইপুরের নৃশংস ঘটনার পর কিন্তু হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি প্রশাসন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বিদ্যুতের গতিতে পদক্ষেপ করেছে সরকার। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে নবগঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল বা ‘সিট’-এর হাতে। [TECHTARANGA-POST:10667]স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবিবারই মৃতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন এবং আজ, মঙ্গলবার তাঁর নিজে ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। সরকারের এমন ইতিবাচক এবং কড়া পদক্ষেপের পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বামেরা কেন পথে নেমে বিরোধিতা করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, মানুষ শান্তিতে থাকার জন্যই রাজ্যে পরিবর্তন এনেছে এবং বাংলার মানুষকে এবার শান্তিতেই রাখা হবে।বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কমবে বৃষ্টি, তারপরই ফের বর্ষার প্রত্যাবর্তন! কী বলছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস? নারী নির্যাতন ইস্যুতে এদিন প্রাক্তন তৃণমূল সরকারকে কড়া ভাষায় নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলের জমানায় বাংলায় প্রায় প্রতিদিন ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু তৎকালীন সরকার কী পদক্ষেপ করেছিল? সেই তুলনায় বারুইপুর কাণ্ডের পরই বর্তমান সরকার যেভাবে কড়া অবস্থান নিয়ে দ্রুত অপরাধীদের শ্রীঘরে পুরেছে, তা নজিরবিহীন। [TECHTARANGA-POST:10648]এর পরেও আন্দোলনের নামে কিছু লোক যে ‘ড্রামা’ করছে, তাকে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিতে রাজি নন তিনি। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, বিজেপি সরকার খুব ভালো করেই জানে মানুষের জন্য কীভাবে কাজ করতে হয় এবং অপরাধীদের দমন করতে হয়। বিরোধীদের হইচইকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মানুষকে সুবিচার দেওয়া এবং শান্তিতে রাখাই এখন সরকারের একমাত্র লক্ষ্য।