Parineeti Chopra: সন্তান হারানোর যন্ত্রণা, এক মায়ের লড়াই! রহস্য-রোমাঞ্চে পরিণীতির ‘শ্যক’ কতটা জমল?
পরিণীতি চোপড়ার প্রথম ওটিটি সিরিজ ‘শ্যক: ট্রাস্ট নো ওয়ান’ মুক্তি পেয়েছে। সিরিজ দেখতে বসে যে প্রশ্ন উঠে আসে, তার উত্তর পেতে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয় না। সন্তান হারানো এক মায়ের আট বছরের অপেক্ষাই সিরিজের গল্প। এই সাত পর্বের সিরিজের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা ছিল এখানেই। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে, সেই সম্ভাবনাটাই পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেননি পরিচালক রেনসিল ডি’সিলভা।[TECHTARANGA-POST:13120]পরিণীতি চোপড়ার চরিত্র অন্বিতাকে ঘিরেই গোটা গল্প। বহু বছর আগে হাসপাতাল থেকে তার সদ্যোজাত মেয়ে অপেক্ষা নিখোঁজ হয়ে যায়। মেয়েকে খুঁজে পাওয়ার বিশ্বাস আঁকড়ে ধরে সে নিজের মতো করে চেষ্টা চালিয়ে যায়। আশেপাশের কাউকেই সে ঠিক করে বিশ্বাস করে উঠতে পারে না। তদন্তে অন্বিতার পাশে থাকা ইন্সপেক্টর খুরানাও গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠেন। কিন্তু রহস্য যত এগোয়, সিরিজের সমস্যা তত স্পষ্ট হয়। একটি নিখোঁজ শিশুকে কেন্দ্র করে যে গল্পটি সাজানো হয়েছিল, তার সঙ্গে একের পর এক নতুন বিষয় জুড়ে দেওয়া হয়েছে। অবৈধ সারোগেসি, সম্পর্কের টানাপড়েন, বিশ্বাসঘাতকতা, ডাইনিবিদ্যা সব মিলিয়ে গল্পের পরিধি বাড়লেও মূল রহস্যের টান ততটা বাড়েনি। [TECHTARANGA-POST:13117]আবেগের জায়গাতেও চিত্রনাট্যের দুর্বলতার প্রভাব পড়েছে। সন্তানের খোঁজে বছরের পর বছর একা লড়াই চালিয়ে যাওয়া একজন মায়ের গল্প স্বাভাবিক ভাবেই আবেগ তৈরি করতে পারে। অন্বিতার লড়াই আরও গভীর ভাবে দেখানো যেতে পারত। তবে পরিণীতি চোপড়া এই চরিত্রে নিজের জায়গাটা ধরে রেখেছেন। ওটিটিতে তাঁর প্রথম কাজ হিসেবে চরিত্রটি যথেষ্ট আলাদা। অন্যদিকে, তাহির রাজ ভাসিনের আলোকও সরল কোনও চরিত্র নয়। হারলিন শেঠি এবং সুমিত ব্যাসের মতো দক্ষ অভিনেতাদের আরও শক্তিশালী চরিত্র দেওয়া যেতে পারত। জেনিফার উইঙ্গেটের পর্দায় সময় তুলনায় কম হলেও তাঁর উপস্থিতি দর্শকের নজর কেড়েছে। অন্য দিকে সোনি রাজদানের চরিত্রটি লেখার দিক থেকে খুব একটা শক্তিশালী নয়।