Hidden Stories (বাংলা)

ধর্ষণ-খুনকে 'আত্মহত্যা'র তকমা! দুই বছর পর শুভেন্দুর দরবারে নির্যাতিতার মা

দুই বছর কেটে গিয়েছে। তবুও মেলেনি মেয়ের মৃত্যুর বিচার, এই অভিযোগ নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর দারস্থ হলেন এক নির্যাতিতার মা। পরিবারের দাবি, ধর্ষণের পর অ্যাসিডে পুড়িয়ে খুন করা হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারের আমলে ঘটনাটিকে নিছকই আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। তাই এবার সরকার বদলের পর সুবিচারের আশায় 'জনতার দরবার'-এ হাজির হলেন তিনি।ঘটনাটি ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর, লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন। নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি এলাকায় এক ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সামনে আসে। পরিবারের অভিযোগ, মেয়েকে ধর্ষণের পর অ্যাসিড ঢেলে খুন করা হয়েছিল। এই নিয়ে পুলিশের দারস্থ হন তাঁরা। কিন্তু প্রথমে খুন বললেও ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে চুপ থাকে পুলিশ। নির্যাতিতার মায়ের দাবি, আচমকাই পুলিশ সুর বদলে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করে। এমনকি ধর্ষণের অভিযোগ নথিভুক্ত করতেও গড়িমসি করে। একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত আইনজীবীর সহায়তায় মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু তাতেও মামালার বিশেষ কিছু অগ্রগতি হয়নি। তৎকালীন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, এমনও দাবি রেখেছেন নির্যাতিতার মা। উল্লেখ্য, ঘটনার পর তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি মুখ্যমন্ত্রী। তাই নতুন করে ন্যায়বিচারের আশায় তাঁর কাছেই পৌঁছেছেন নির্যাতিতার মা। বৃহস্পতিবার সমস্ত নথিপত্র নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর 'জনতার দরবার'-এ উপস্থিত হন। তাঁর একটাই আবেদন, দুই বছর পেরিয়ে গেলেও মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হোক এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।

ধর্ষণ-খুনকে 'আত্মহত্যা'র তকমা! দুই বছর পর শুভেন্দুর দরবারে নির্যাতিতার মা