Hidden Stories (বাংলা)

Nandigram By Election: উপনির্বাচনের মুখে নন্দীগ্রামে বিরাট টুইস্ট! জেলের বাইরে থেকেই ভোটের লড়াইয়ে কংগ্রেস প্রার্থী, হাই কোর্টের ঐতিহাসিক রায়

কলকাতা: নন্দীগ্রামের ভোটযুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে রাজ্য রাজনীতিতে এক মারাত্মক মোড়। অবশেষে আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে জেলের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে ভোট ময়দানে নামার পথ পরিষ্কার হলো নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের। তাঁকে শর্তসাপেক্ষ অন্তর্বর্তী জামিন দিল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের একক বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কেবলমাত্র গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করার সুযোগ দিতেই প্রার্থীকে এই সাময়িক আইনি স্বস্তি দেওয়া হচ্ছে। আদালতের এই রায়ের ফলে এখন আর জেলের ভেতরে বন্দি থেকে নয়, সরাসরি জেলের বাইরে এসেই নন্দীগ্রামের হাইভোল্টেজ উপনির্বাচনের প্রচারে নামতে পারবেন কংগ্রেসের এই দাপুটে মুখ।আদালত সূত্রের খবর, মিলনের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া মোট ছ’টি ভিন্ন মামলাতেই আপাতত অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। আগামী তিন সপ্তাহের জন্য বলবৎ থাকবে এই জামিনের মেয়াদ। ফলে নির্বাচনের সমস্ত পর্ব আদালতের দেওয়া এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সেরে ফেলতে হবে প্রার্থীকে। আগামী ২১ অক্টোবর মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য হাই কোর্টে উঠবে। তবে প্রার্থীকে জামিন দিলেও তাঁর ঘাড়ে একগুচ্ছ কঠোর শর্ত চাপিয়ে দিয়েছেন মহামান্য আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী, উপনির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হওয়া মাত্রই মিলনকে দ্রুত হলদিয়া আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করতে হবে। শুধু তাই নয়, অন্তর্বর্তী জামিনে থাকাকালীন প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা এবং রাত সাড়ে ৯টায় সংশ্লিষ্ট থানার তদন্তকারী আধিকারিককে ফোন করে নিজের অবস্থান সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিতে বাধ্য থাকবেন তিনি।উল্লেখ্য, ১৯ বছরের পুরনো এক পুরনো মামলাকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে আকস্মিকভাবে গ্রেফতার করা হয়েছিল মিলন প্রধানকে। পুলিশি সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের উত্তাল নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলন পর্বের খুন, খুনের চেষ্টা, বেআইনি জমায়েত ও লুটপাট সহ একাধিক গুরুতর ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ও খেজুরি থানায় এই মামলাগুলি নথিভুক্ত ছিল। তবে ভোটের মুখে এত পুরনো মামলা টেনে এনে গ্রেফতারির নেপথ্যে তীব্র রাজনৈতিক চক্রান্ত ও রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল বিরোধী শিবির।জামিন চেয়ে চলতি সপ্তাহেই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন মিলনের আইনজীবীরা। দ্রুত শুনানির আবেদনের পর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানান, উপনির্বাচনে প্রার্থীকে অংশ নিতে দেওয়া উচিত। অবশেষে সব পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে অন্তর্বর্তী জামিন পেয়ে স্বস্তিতে কংগ্রেস শিবির।[TECHTARANGA-POST:13130]

Nandigram By Election: উপনির্বাচনের মুখে নন্দীগ্রামে বিরাট টুইস্ট! জেলের বাইরে থেকেই ভোটের লড়াইয়ে কংগ্রেস প্রার্থী, হাই কোর্টের ঐতিহাসিক রায়