Flydubai: বিমানে হামলার নেপথ্যে কে? সহ-পাইলটের পরিচয় নিয়ে বড় তথ্য দিলেন ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী
নয়াদিল্লিঃ দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে সহ-পাইলটের হামলার ঘটনায় প্রকাশ্যে এল বড় তথ্য। ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, হামলাকারী সহ-পাইলট ওমানের নাগরিক। বৃহস্পতিবার এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিমানের ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে ছুরি দিয়ে হামলা করে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে হামলার উদ্দেশ্য এবং ঘটনার নেপথ্যে কী কারণ, তার তদন্ত চলছে।৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে তেল আভিভের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল ফ্লাইদুবাইয়ের FZ1073 বিমানটি। বিমানে ছিলেন ১৭৪ জন যাত্রী। আচমকাই মাঝআকাশে ককপিটে ক্যাপ্টেনের সঙ্গে সহ-পাইলটের সংঘর্ষ শুরু হয়। অভিযোগ, সহ-পাইলট ছুরি দিয়ে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে আক্রমণ করেন। মুহূর্তের মধ্যে বিমানটি প্রায় ৩৩ হাজার ফুট থেকে ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় নেমে যায়। গুরুতর আহত হন ভারতীয় ক্যাপ্টেন, কিন্তু হাল ছাড়েননি। রক্তাক্ত অবস্থায় ককপিটের দরজা খোলার ব্যবস্থা করেন তিনি। সেই সুযোগে বিমানের কয়েকজন যাত্রী ও ক্রু ককপিটে ঢুকে হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। শেষ পর্যন্ত বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করান।ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী সা’র এই ঘটনাকে ‘জিহাদি সন্ত্রাসী হামলা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, হামলার সম্ভাব্য উদ্দেশ্য ছিল ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সম্পর্ক এবং আব্রাহাম অ্যাকর্ডসকে ক্ষতিগ্রস্ত করা। এই দাবির পক্ষে এখনও কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ সামনে আসেনি বলেও জানিয়েছেন তিনি। ইরানের সঙ্গে হামলাকারীর কোনও যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও প্রমাণ ছাড়া মন্তব্য করতে চাননি তিনি। সৌদি আরবে বিমানটি অবতরণের পর সহ-পাইলটকে আটক করা হয়। সেখানকার প্রাথমিক তদন্তের পর তাঁকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির হাতে তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের সাহসকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দিয়েছেন তিনি। অনেক বড় বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় ১৭৪ জনের প্রাণ রক্ষা পাওয়ার পর ভারতীয় এই পাইলটকে ঘিরে প্রশংসার ঝড় উঠেছে।