‘আসল’ তৃণমূল কে? দলীয় প্রতীক এবং তহবিলের নিয়ন্ত্রণই বা শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে? এই টানাপোড়েনের মাঝেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল নেত্রী তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার নির্বাচন কমিশনের সচিবকে চিঠি দিয়ে তিনি দাবি করেছেন, দলের জমা দেওয়া নথি এবং তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হোক। একইসঙ্গে কোনও পক্ষকে অতিরিক্ত সুবিধা না দিয়ে কমিশন যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।[TECHTARANGA-POST:10916]সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে এই অভিযোগের কথা প্রকাশ্যে আনেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষ। তাঁদের দাবি, নির্বাচন কমিশন উভয় পক্ষকেই ৬ জুলাইয়ের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বলেছিল। কালীঘাট শিবির সেই সময়ের মধ্যেই সমস্ত তথ্য জমা দেয়। কিন্তু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অতিরিক্ত সময় চাওয়ার পর কমিশন তাদের আরও ১৫ দিন সময় দিয়েছে বলে অভিযোগ। এই সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে কালীঘাট শিবির। সাংবাদিক বৈঠকে মহুয়া মৈত্র বলেন, ‘‘বিদ্রোহী শিবিরের জবাব এখনও আমরা পাইনি। কিন্তু আমাদের জমা দেওয়া নথি ওদের কাছে পৌঁছে গেল কীভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর কমিশনকে দিতে হবে।’’ একইসঙ্গে সাগরিকা ঘোষও কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে সব পক্ষই সমান আচরণ আশা করে। সেই জায়গাতেই প্রশ্ন উঠছে।[TECHTARANGA-POST:10899]অন্যদিকে, এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি জানিয়েছেন, তাঁদের পক্ষ থেকে আইনজীবীর মাধ্যমে কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া হয়েছে। কমিশন যদি আরও কোনও তথ্য চায়, তাও আইনি প্রক্রিয়া মেনেই দেওয়া হবে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার