Hidden Stories (বাংলা)

Gyanesh Kumar: আইনি ফাঁসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার! জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ সুপ্রিম কোর্টে

নয়াদিল্লি: দেশের নির্বাচন কমিশনের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক অলিন্দে এক অভূতপূর্ব ও নজিরবিহীন সাংবিধানিক সংকট। কমিশনের বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারের মতামতকে সম্পূর্ণ বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একচ্ছত্র ও একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুতর অভিযোগে মারাত্মক অস্বস্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কমিশনারদের সংঘাতের জল গড়িয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বাইপাস করে একক স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইস্যুতে দায়ের করা এক জনস্বার্থ মামলা গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই হাইভোল্টেজ মামলার জরুরি ভিত্তিতে শুনানি হতে চলেছে।শীর্ষ আদালতে পেশ করা আর্জিতে স্পষ্ট দাবি জানানো হয়েছে, এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিচার বিভাগীয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তাঁর সমস্ত সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত ও বিরত রাখা হোক। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ সিং মামলাটির গুরুত্ব তুলে ধরে সওয়াল করেন। তিনি দাবি করেন, ভারতীয় সংবিধানের স্পষ্ট বিধি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের মতো স্বশাসিত সংস্থায় যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে হওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু যেভাবে সিইসি একক নির্দেশে গোটা কমিশনকে পরিচালিত করছেন, তা দেশের গণতন্ত্রের পক্ষে এক চরম বিপর্যয় ও সাংবিধানিক কাঠামোয় বড় আঘাত।সমাজকর্মী রাকেশ কুমার সিংয়ের তরফে দায়ের করা এই জনস্বার্থ মামলায় গত এক বছরে ভোটার তালিকা সম্পর্কিত নির্বাচন কমিশনের সমস্ত গোপন ফাইল ও নথি তলব করার আর্জি জানানো হয়েছে। ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির পর্যবেক্ষণে সিট গঠনেরও দাবি উঠেছে। সম্প্রতি এক জাতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে ফাঁচ হয়, বিগত ১০ মাসে ভোটার তালিকায় নাম সংযোজন, বাদ দেওয়া এবং ‘এসআইআর’ প্রক্রিয়ায় সিইসি-র একতরফা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অন্তত ১৪ বার লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী।সংবিধানিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দুই কমিশনারকে এড়িয়ে এমন একতরফা পদক্ষেপ করা হলে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া যাবতীয় আইনি সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি হয়ে যায়। স্বাধীন দেশে গণতন্ত্রের পবিত্রতা ও স্বচ্ছ নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এবার শীর্ষ আদালতের এই জোরালো পদক্ষেপের দিকে নজর গোটা দেশের।[TECHTARANGA-POST:13131]

Gyanesh Kumar: আইনি ফাঁসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার!  জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ সুপ্রিম কোর্টে