Chetla Agrani: কংক্রিটের শহর থেকে এক পা এগোলেই মেঠো বাংলার আবহ! ২০২৬-এ কী চমক দিচ্ছে চেতলা অগ্রণী?
কলকাতাঃ অপেক্ষার আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরই মায়ের আগমনে, আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠবে মহানগরী। কলকাতার পুজো মানেই একের পর এক থিমের চমক। আর দক্ষিণ কলকাতার প্যান্ডেল হপিংয়ের তালিকায় প্রতি বছরই আলাদা জায়গা করে নেয় চেতলা অগ্রণী। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে মণ্ডপসজ্জা, শিল্পভাবনা এবং অভিনব উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ২০২৬ সালেও সেই ধারাবাহিকতায় নতুন ভাবনা নিয়ে হাজির হচ্ছে চেতলা অগ্রণী।
[TECHTARANGA-POST:13458]এই থিমের মাধ্যমে শহুরে জীবনের ব্যস্ততা থেকে দর্শনার্থীদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বাংলার মাটির কাছে। বাংলার লোকসংস্কৃতি, গ্রামীণ জীবন এবং হারিয়ে যেতে বসা লোকজ ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করেই তৈরি হচ্ছে মণ্ডপের ভাবনা। পটশিল্প, মাটির কারুকাজ-সহ বাংলার বিভিন্ন লোকজ উপাদানকে কাজে লাগিয়ে মণ্ডপটিকে সাজানো হচ্ছে। পুজোমণ্ডপ ছাড়াও দর্শনার্থীদের সামনে বাংলার লোকশিল্প ও সংস্কৃতির একটি ছবিও তুলে ধরতে চাইছেন উদ্যোক্তারা।থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই প্রতিমা তৈরি হচ্ছে। আলো এবং আবহসঙ্গীতের ব্যবহারে মণ্ডপের পরিবেশকেও আরও অভিনব করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে শহরে ইট-কংক্রিটের মধ্যে দাঁড়িয়েও যেন দর্শনার্থীরা কিছুক্ষণের জন্য গ্রাম বাংলার আবহে পৌঁছে যেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি চালানো হচ্ছে। [TECHTARANGA-POST:13435]চেতলা অগ্রণীর পুজোয় প্রতি বছরই ষষ্ঠী থেকে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। কলকাতা ছাড়াও শহরের বাইরের পুজোপ্রেমীরাও এই মণ্ডপ দেখতে ভিড় করেন। সেই তালিকায় ২০২৬ সালেও নতুন করে জায়গা করে নিতে চলেছে বাংলার মাটি ও লোকসংস্কৃতিকে ঘিরে তৈরি এই আয়োজন।