তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই বড় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সভানেত্রী পদ থেকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফেসবুক লাইভে এসে ঘোষণা করলেন, আপাতত তিনিই দলের রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব সামলাবেন। একই সঙ্গে সংগঠনের কাজ পরিচালনার জন্য দুই নতুন সাধারণ সম্পাদকের নামও ঘোষণা করেন তিনি। সেই দায়িত্ব পেয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র এবং বেলেঘাটার কুণাল ঘোষ।[TECHTARANGA-POST:10587]শুক্রবার মেট্রোপলিটনের অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়কে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই শিবিরের সংঘাত প্রকাশ্যে আসে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির ওই কার্যালয়ের দখল নেয় এবং সেখানে তালা ঝোলানো হয়। এই ঘটনার সময় রাজ্য সভানেত্রী হিসেবে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সেই কারণেই ঘটনার পর তাঁর কাছে জবাবদিহি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল পার্টি অফিস দখল! ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়শনিবার দুপুরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী-সহ দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেন। তিনি জানান, তাঁর আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন। ইস্তফার পর বিধানসভায় গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। সেই বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়।[TECHTARANGA-POST:10578]এই পরিস্থিতিতেই বিকেলে কালীঘাটের দলীয় কার্যালয় থেকে ফেসবুক লাইভে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন সাংগঠনিক রদবদলের ঘোষণা করেন। মমতার কথায়, ‘‘কে ছেড়ে গেল, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি নেতা চাই না, সাধারণ কর্মী চাই। দলের রাজ্য সংগঠনটাও এখন আমি চালাব। আপাতত আমার কাজ নেই। সারাদিন দলটাই দেখব। এমনি আমি রোজ এই পার্টি অফিসে বসি, কর্মীদের সঙ্গে দেখা করি। এবার থেকে আরও বেশি সময় দেব। এছাড়া কাজ চালাতে সুবিধার জন্য দু’জন সাধারণ সম্পাদক ঠিক করেছি। মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষ হবেন সাধারণ সম্পাদক। তাঁরা এই কাজে আমাকে সাহায্য করবেন।”
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার