Hidden Stories (বাংলা)

India Bangladesh: মোদীর হাইভোল্টেজ আমন্ত্রণ ফেরাল ঢাকা! ব্রিকস সম্মেলন বর্জন করে প্রতিনিধি পাঠাতেও নারাজ তারেক, কূটনৈতিক অসন্তোষে হঠাৎ কেন সুর চড়াল বাংলাদেশ?

ঢাকা: নয়াদিল্লির মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা বহুপ্রতীক্ষিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে আকস্মিক কূটনৈতিক টানাপোড়েন প্রকাশ্যে এল। আগামী শনি ও রবিবার রাজধানী দিল্লিতে বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিতিতে বসতে চলেছে ব্রিকস সম্মেলন। আয়োজক দেশ হিসেবে এই মেগা আসরের আউটরিচ পর্বে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লি সফরে যাচ্ছেন না। শুধু তা-ই নয়, এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সরকারি প্রতিনিধি দলও পাঠানো হচ্ছে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ঢাকার এই কড়া অবস্থানের জেরে দুই প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে জোর আলোড়ন।এই অসন্তোষের নেপথ্যে রয়েছে প্রোটোকল ও মর্যাদার প্রশ্ন। বর্তমানে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন তারেক রহমান। ঢাকার মূল অভিযোগ, ব্রিকসের আউটরিচ পর্বে তাঁকে একজন স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, বরং আমন্ত্রণ এসেছে কেবলমাত্র বিমসটেক জোটের চেয়ারপার্সন হিসেবে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই আপত্তির কথা সরাসরি তুলে ধরেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী। যদিও নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকের তরফে আগেই ব্যাখ্যা দিয়ে জানানো হয়েছিল যে, এই আমন্ত্রণে কোনো কূটনৈতিক বা প্রশাসনিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করা হয়নি। ব্রিকস সম্মেলনের নিয়ম মেনেই বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের প্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং সবার ক্ষেত্রেই এই একই মানদণ্ড প্রযোজ্য ছিল। একই সঙ্গে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের দিনই ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি তাঁর হাতে নরেন্দ্র মোদীর পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সফরের আমন্ত্রণপত্র তুলে দিয়েছিলেন।তা সত্ত্বেও ব্রিকসের মঞ্চে তারেক রহমানকে 'যথাযথ কূটনৈতিক মর্যাদা' দেওয়া হয়নি দাবি করে সম্মেলন পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার পথেই হাঁটল ঢাকা। তবে এই কূটনৈতিক দূরত্বের মাঝেও সম্পর্ক পুরোপুরি তিক্ত করতে নারাজ পদ্মাপাড়ের প্রশাসন। বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আরও স্পষ্ট করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যাবেন না এমন নয়; উপযুক্ত ও অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হলেই তিনি পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছাবেন। ফলে ব্রিকসের বহুপাক্ষিক মঞ্চ বয়কট করলেও দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়ার দরজা এখনই পুরোপুরি বন্ধ করতে চাইছে না ঢাকা, যদিও দিল্লির মেগা ইভেন্ট শুরুর মুখে তাদের এই কঠোর সিদ্ধান্তে কূটনৈতিক অস্বস্তি এড়ানো গেল না।[TECHTARANGA-POST:12522]হিডেন স্টোরিজ নিউজ

India Bangladesh: মোদীর হাইভোল্টেজ আমন্ত্রণ ফেরাল ঢাকা! ব্রিকস সম্মেলন বর্জন করে প্রতিনিধি পাঠাতেও নারাজ তারেক, কূটনৈতিক অসন্তোষে হঠাৎ কেন সুর চড়াল বাংলাদেশ?