‘আর লাগবে না বায়োমেট্রিক মেশিন!’ সরকারি কর্মীদের হাজিরা নিয়ে নবান্নের বিরাট সিদ্ধান্ত
কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অফিসে উপস্থিতি ও হাজিরা দেওয়ার পদ্ধতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে চলেছে নবান্ন। এবার থেকে সরকারি কোনও দপ্তর বা কার্যালয়ে আর বায়োমেট্রিক যন্ত্রের ওপর নির্ভর করতে হবে না। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, কর্মীরা নিজেদের স্মার্টফোন থেকেই সরাসরি উপস্থিতি জানাতে পারবেন। বিপুল খরচে কেনা বায়োমেট্রিক যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ ও ঘনঘন যান্ত্রিক ত্রুটি এড়াতেই অর্থ দপ্তরের তরফে এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত দপ্তরে নিজস্ব সফটওয়্যার সলিউশন খতিয়ে দেখে নতুন এই ব্যবস্থা চালু করার নির্দেশ জারি হয়েছে।অর্থ দপ্তর সূত্রের খবর, মোবাইল থেকে হাজিরা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও ফাঁকি দেওয়ার কোনও উপায় থাকছে না। কারণ পুরো প্রযুক্তিটি পরিচালিত হবে 'জিও-ফেন্সিং' (Geo-Fencing) প্রযুক্তির মাধ্যমে। এর ফলে একজন কর্মী যখন অফিসের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে অবস্থান করবেন, একমাত্র তখনই তিনি নিজের মোবাইল ফোন অ্যাপ দিয়ে হাজিরা দিতে পারবেন। এতে মেশিন বসানোর খরচ যেমন বাঁচবে, তেমনই সময়মতো অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করাও অনেক বেশি স্বচ্ছ ও সহজ হবে বলে মনে করছেন অর্থ দপ্তরের আধিকারিকরা।উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৫ জুন থেকে নবান্নে 'ফেস রিকগনিশন' বায়োমেট্রিক হাজিরা শুরু করা হয়েছিল এবং ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্য জুড়ে তা কার্যকর করার কথা ছিল। তবে নয়া বিজ্ঞপ্তিতে হাজিরার সময়ের নিয়মেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টার মধ্যে অফিসে পৌঁছালে তা 'লেট' বা দেরিতে আগমন হিসেবে গণ্য হবে। ১১টার পর অফিসে এলে সেই দিনটিতে 'অনুপস্থিত' বলে ধরা হবে। এছাড়া কাজ শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের আগে অফিস ছাড়লে তা 'আর্লি ডিপার্চার' হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে।[TECHTARANGA-POST:11272]হিডেন স্টোরিজ নিউজ