রাতের অন্ধকারে পরপর গুলি আরামবাগে, বিজেপি কর্মী গুলিকবিদ্ধ হতেই সামনে চাঞ্চল্যকর তত্ত্ব!
আরামবাগ: থমথমে আরামবাগে রাতের অন্ধকারে চলল মুড়িমুড়কির মতো গুলি! আততায়ীদের পরপর গুলিতে গুরুতর জখম হলেন এক বিজেপি যুব মোর্চার কর্মী। শনিবার রাতে আরামবাগের সালেপুর-২ পঞ্চায়েতের ডোঙ্গল এলাকায় রক্তক্ষয়ী এই ঘটনাটি ঘটে। গুলিবিদ্ধ ওই যুবকের নাম সুজন গড়াই, যিনি আরামবাগের গৌরহাটির বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। সুজনের পায়ে গুলি লাগার পর তিনি ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন। খবর পেয়েই আরামবাগ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে জখম কর্মীকে উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। আপাতত সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় সুজন তাঁর কয়েকজন পরিচিতের সঙ্গে এলাকায় দাঁড়িয়েছিলেন। অভিযোগ, ঠিক সেই মুহূর্তেই স্থানীয় দুষ্কৃতী সরোজ লাগা ও তার সঙ্গীরা সুজনকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। এই ঘটনার পরই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার প্রেক্ষিতে চারজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং তৎপরতা দেখিয়ে ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি কার্তিক দত্ত সরোজ লাগা ও তার গ্যাংকে দুষ্কৃতী আখ্যা দিয়ে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।তবে এই শুটআউটের নেপথ্যে শাসকদলের হাত রয়েছে নাকি কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা—সেই নিয়ে জল্পনার মাঝেই উঠে আসছে এক বিস্ফোরক মোড়! স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, মূল অভিযুক্ত সরোজ লাগা নিজেও বিজেপিরই একজন সক্রিয় সদস্য এবং দলের অঞ্চল কনভেনর পদে রয়েছেন। ফলে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পেছনে বিজেপির কোনো অন্তর্দ্বন্দ বা দলীয় গোষ্ঠী কোন্দল কাজ করছে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। গোটা ঘটনার নিখুঁত তদন্ত চালিয়ে আসল সত্য উদঘাটনে নেমেছে পুলিশ।[TECHTARANGA-POST:11397]হিডেন স্টোরিজ নিউজ