Mahela Jayawardene: সপ্তমীর মেজাজে জয়বর্ধনের বিদায়, তবে কি মুম্বইয়ে ফের প্রশস্ত অধিনায়ক রোহিতের ‘ক্যামব্যাক’?
মুম্বই: শারদোৎসবের আবহে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবিরে বড়সড় ডাগআউট-বিপ্লব। এক দশকেরও বেশি সময়ের সম্পর্ক ও সাফল্যের সোনালী অধ্যায়ে ইতি টেনে মুম্বইয়ের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মাহেলা জয়বর্ধনে। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন অধিনায়কের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে নীতা আম্বানিদের ফ্র্যাঞ্চাইজি। পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে এই বিদায় ঘোষণা হলেও, ওয়াংখেড়ের ক্রিকেট অলিন্দে একটাই জোর জল্পনা, ডাগআউটে জয়বর্ধনের বিসর্জনের পর তবে কি ফের অধিনায়ক হিসেবেই হিটম্যান রোহিত শর্মার মহা-প্রত্যাবর্তন ঘটতে চলেছে?২০১৭ সালে প্রথমবার মুম্বইয়ের হেড কোচের দায়িত্বে বসেছিলেন জয়বর্ধনে। রোহিত শর্মার সঙ্গে তাঁর জমাটি রসায়নে ২০১৭, ২০১৯ এবং ২০২০ সালে তিনটি আইপিএল ট্রফি জিতেছিল দল। পরবর্তীতে গ্লোবাল ক্রিকেট অপারেশনসের দায়িত্ব সামলে ২০২৫ মরশুমে ফের কোচের হটসিটে ফেরেন তিনি। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় মার্ক বাউচারের ব্যর্থতার পর এসে এবং অধিনায়কত্বে চমক হিসেবে হার্দিক পান্ডিয়াকে বসালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ২০২৪-এ পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা এবং পরবর্তী মরশুমে প্লে-অফে উঠলেও ট্রফির খরা কাটাতে না পারায় ব্যাকফুটে চলে যায় টিম ম্যানেজমেন্ট। শেষমেশ ২০২৭ মরশুমের মহানিলামের আগে গোটা দলকে নতুন করে ছাঁচে ফেলার পথেই হাঁটল মুম্বই।জয়বর্ধনের বিদায়বেলায় দলের কর্ণধার নীতা আম্বানি তাঁর অবদানকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, "বছরের পর বছর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে মাহেলার অবদান অনস্বীকার্য। ওঁর শান্ত নেতৃত্ব ও সততা আমাদের কাছে সম্পদ।" পাল্টা ধন্যবাদ জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তিও। কিন্তু এই বিদায়ের আড়ালেই লুকিয়ে রয়েছে আসল সমীকরণ।ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, জয়বর্ধনের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই হার্দিক-কেন্দ্রিক কৌশলের অবসান ঘটতে চলেছে। হার্দিক কিংবা সূর্যকুমার যাদবের মধ্যে কাউকে ছেঁটে ফেলে ফের দলের রাস সফলতম অধিনায়ক রোহিতের হাতেই তুলে দিতে চাইছে নীতা আম্বানির ম্যানেজমেন্ট। ২০১৩ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে মুম্বইকে পাঁচটি ট্রফি এনে দেওয়া ‘ক্যাপ্টেন’ রোহিতকে কেন্দ্র করেই কি ২০২৭-এ ফের ইতিহাস লেখার ছক কষছে এমআই পল্টন? জয়বর্ধনের বিদায় সেই জল্পনাকেই কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।